ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-14

, ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

মাইন্ড ম্যাপিংয়ে বাড়ে সৃজনশীলতা 

প্রকাশিত: ০৪:০৪ , ১২ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ০৪:০৪ , ১২ এপ্রিল ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: আমাদের মস্তিষ্কের ব্যবহার, চিন্তার চিত্রায়ন, মনে ছবি আঁকা বা মাইন্ড ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করা যায়। শব্দ, চিত্র, রঙ, সংখ্যা, যুক্তি ও ছন্দ মস্তিষ্কের ব্যবহার বৃদ্ধি করে। আমরা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, কোনো কথা বলার আগে এমনকি কোনো কিছু কেনাকাটার সময়ও কিছুটা চিন্তা করি। আর চিন্তা অনুযায়ী কাজ করি। এই চিন্তার ক্ষেত্রেও থাকে ভিন্নতা। 

প্রাথমিক ধারণা 
বলছিলাম চিন্তার কথা। আমরা কিছু বলার আগে কিংবা কেনাকাটার আগেও চিন্তা করি এবং সেই চিন্তা অনুযায়ী কাজ করি। বিষয়টি জটিল হলেও আমরা কে, কী, কেন, কীভাবে, কোথায় ইত্যাদি প্রশ্ন নিজেরা নিজেদের করি, প্রশ্নের উত্তর খুঁজি এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিই। কাগজ-কলম ব্যবহার করি বা না করি আমরা কিন্তু ছোট ছোট সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও বিকল্প চিন্তা করি। এই চিন্তাকে কাগজে-কলমে চিত্রায়িত করাকে মাইন্ড ম্যাপিং বা মনোছবি আঁকা বলা যেতে পারে।

দিনে ৫০ থেকে ৭০ হাজার চিন্তা
এক গবেষণায় দেখা গেছে মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি অনুযায়ী একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মাথায় দিনে প্রায় ৫০ থেকে ৭০ হাজার চিন্তা বা ধারণা আসে। এর মধ্যে সামান্য কিছু চিন্তায় মানুষ মনোযোগ দেয় এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ করে। মানুষের মাথায় আসা সারাদিনের হাজার হাজার চিন্তা বা ধারণাকে চিত্রায়িত করা প্রায় অসম্ভব। এ ক্ষেত্রে আপনি যেটা চান এমন চিন্তা ধরেও চিত্রায়নে লেগে যেতে পারেন। 

মস্তিষ্কের ব্যবহার বৃদ্ধিতে সহায়তা
আইডিয়া জেনারেট, পরিকল্পনা, উপস্থাপনা, প্রতিবেদন, সমস্যার সমাধান, রচনা, আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা লেখার ক্ষেত্রে সংশ্নিষ্ট বিষয়ে মস্তিষ্কের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অভিজ্ঞতা বা জ্ঞানগুলোর মধ্যে সম্ভাব্য সব সংযোগ স্থাপন করে। এসবেও মন দিতে পারেন। 

সফটওয়্যারে মাইন্ড ম্যাপিং 
বর্তমানে মাইন্ড ম্যাপিংয়ের অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়, যা অফিস-আদালতে এবং ব্যবসায়িক প্রয়োজনে অনেকে ব্যবহার করেন। মাইন্ড ম্যাপিং বাড়াতে মূল বিষয়টি কেন্দ্রে লিখে লাইন টেনে অন্যান্য আনুষঙ্গিক সব বিষয়কে একটি শিটে বিভিন্ন শব্দ, রঙ এবং সংযোগ দিয়ে চিত্রায়িত করা।

ভুলে যাওয়া ঠেকাতে
অনেকেই কিছু পড়লে বা কোনো বই পড়লে খুব সহজেই ভুলে যান বা তেমন একটা মনে থাকে না। এ ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই ঠিক করতে হবে যে, আপনি মনে রাখতে চান কি-না? যদি মনে রাখতে চান তাহলে যা পড়বেন তার সঙ্গে যদি পড়ার বিষয়টি নিয়ে চিন্তার চিত্রায়ন বা মাইন্ড ম্যাপিংয়ের সাহায্যে একটি সাদা কাগজে বা একাধিক কাগজে অধ্যায় অনুযায়ী চিত্রায়িত করা যায় তাহলে সহজেই ভুলে যাওয়া ঠেকাতে পারবেন। 

আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা লেখা
এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর চিন্তার জগৎ বাড়তে। আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা লিখতে চাইলে আপনি আপনার চিন্তার চিত্রায়ন বা মাইন্ড ম্যাপিংয়ের সাহায্যে একটি সাদা পৃষ্ঠার কেন্দ্রে আপনার নাম লিখুন। তারপর শৈশব, কৈশোর, স্কুল, কলেজ, চাকরি বা ব্যবসাসহ পারিবারিক জীবন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন, অবসর ইত্যাদি নিয়ে প্রধান শাখা তৈরি করুন। 

প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই ছোটদের মাইন্ড ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে কোনো গল্প, প্রবন্ধ, রচনা ইত্যাদি লেখার সুযোগ করে দিলে তারা তাদের চিন্তার জগৎ অনায়াসে বাড়াতে পারেন। সেই পথ ধরে আপনি এখনও বাড়াতে পারেন আপনার চিন্তার জগৎ। এবার নেমে পড়ূন কাজে।

এই বিভাগের আরো খবর

বাংলাদেশে গুগলে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে খালেদা ও হিরো আলমকে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: বাংলাদেশে গুগলে এ বছর দেশটিতে যাদেরকে সবচেয়ে বেশি খোঁজ করা হয়েছে সেই তালিকায় নাম এসেছে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা...

আবারও জেলে মিকা সিং

অনলাইন ডেস্ক: এক তরুণীকে হেনস্তার দায়ে অভিযুক্ত ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী মিকা সিংকে শুনানি শেষে আবারও জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আবু...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is