ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-14

, ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই: লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৬:১৪ , ১৭ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ১১:৩৬ , ১৮ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, শান্তিপূর্ণ, টেকসই সমাধানে মিয়ানমারের ওপর আরো চাপ দেয়ার জন্য বিশ্ব স¤প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডনে কমনওয়েলথ সম্মেলনের প্রথম দিনে ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট আয়োজিত সংলাপে বিশ্ব স¤প্রদায়কে এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসার আহবান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গদের আশ্রয় দিয়েছে। এরজন্য বাংলাদেশকে বড় ধকল সহ্য করতে হচ্ছে বলেও বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।
আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও মানবিক বিষয়ে কাজ করা যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট ওডিআই বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে এই সংলাপের আয়োজন করে। লন্ডনে ওডিআই সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প: নীতি, উন্নয়ন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই সংলাপে মূল বক্তব্য রাখা ছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কারো কাছ থেকে ভিক্ষা বা অনুদান নিয়ে চলতে চায় না। দেশের উন্নয়নের জন্য আমাদের প্রয়োজন বিনিয়োগ আর ঋণ সুবিধা। স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পেছনে তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি।
পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব স¤প্রদায় কিভাবে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে পারে এমন প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব নেতারা ইতিমধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। বাস্তব চিত্র তারা দেখেছেন। প্রায় ১২ লাখ মানুষের বাড়তি চাপে পরিবেশের প্রতি বিরুপ প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে। তাই বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও শান্তিপূর্ন সমাধান চায়।
বর্তমান বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। বলেন, বাণিজ্য স¤প্রসারণ, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক শক্তিশালী করাই তার সরকারের নীতি।
এর আগে কমনওয়েলথ উইমেনস ফোরামের বৈঠকে বক্তৃতা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য নারী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, উপযুক্ত শিক্ষা ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়। তাই মেয়েদের শিক্ষার জন্য তার সরকার অনেক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে বিশ্ব নেতাদের জানান শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের উপযুক্তি শিক্ষার মাধ্যমে শুধু অর্থনৈতিক মুক্তিই নয়, পারিবারিক নির্যাতন, বাল্যবিবাহ হ্রাস ও শোষণের ঘটনাও বাংলাদেশে বহুলাংশে কমে এসেছে। তাই বাংলাদেশের শতভাগ শিশু এখন স্কুলে যায়।
নারী ক্ষমতায় ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নেতাদের এসময় একসঙ্গে কাজ করারও আহŸান জানান শেখ হাসিনা। 

এই বিভাগের আরো খবর

২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে সারাদেশে পৌঁছাবে ব্যালট পেপার: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে সারাদেশে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।...

'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তাবায়নের দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে'

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তাবায়নের দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। সকালে জাতীয়...

যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতাবিরোধীদের মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার চায় জনগণ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করুক। কিন্তু বিএনপি...

চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেন আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম দিকপাল বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেন আর নেই।  দুপুরে ব্যাংকের একটি হাসপাতালে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is