ঢাকা, বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮, ৭ ভাদ্র ১৪২৫

2018-08-21

, ৯ জিলহজ্জ ১৪৩৯

প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারায় সংশোধন চায় বিএফইউজে

প্রকাশিত: ০৬:৩৩ , ২৩ এপ্রিল ২০১৮ আপডেট: ০৬:৩৩ , ২৩ এপ্রিল ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারাসহ কয়েকটি ধারা সংশোধনের দাবি জানিয়েছে  বাংলাদেশে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশ। সেসব ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, তা সংশোধনে ১০টি পর্যবেক্ষণ ও একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে বিএফইউজে ।

আজ সোমবার সচিবালয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএফইউজের পক্ষ থেকে সংগঠনটির চারজন নেতা এসব দাবি ও প্রস্তাব তুলে ধরেন।

বৈঠকে বিএফইউজের পক্ষে ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মধুসূদন মণ্ডল ও কার্যকরী সদস্য সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

বৈঠক শেষে বিএফইউজের সভাপতি  মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা প্রস্তাবিত আইনটির বিভিন্ন ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি সেগুলো সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে আইনটি সংসদে পাস করার পর তা প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা চেয়েছেন।

বুলবুল জানান, বিএফইউজের প্রস্তাব হলো-আইনটি গণমাধ্যমের জন্য প্রয়োগ করতে হলে প্রাথমিকভাবে অভিযোগটি প্রেস কাউন্সিলে যাবে। প্রেস কাউন্সিলে ছোট কমিটি বা সেলের মাধ্যমে এটা প্রাথমিকভাবে যাচাই করে দেখা হবে। ওই সেল বা কমিটির অনুমোদন ছাড়া সাংবাদিক বা গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে এই আইন প্রয়োগ করা যাবে না।

মন্ত্রীর কাছে লিখিতভাবে বিএফইউজে যেসব ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—গুপ্তচর বৃত্তি বিষয়ক ৩২ ধারা, আইন শৃঙ্খলার অবনতি সংক্রান্ত ৩১ ধারা, মানহানি বিষয়ক ২৯ ধারা, ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত সংক্রান্ত ২৮ ধারা, আক্রমণাত্মক তথ্য উপাত্ত সংক্রান্ত ২৫ ধারা, মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রচারণা সংক্রান্ত ২১ ধারা ইত্যাদি।

বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, সম্পাদক পরিষদের মতো বিএফইউজের দাবিগুলোও যৌক্তিক বলে তিনি মনে করেন। প্রস্তাবিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ এর খসড়া সংসদীয় কমিটিতে আছে। তাই সেখানে আলোচনা হলে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।

তিনি জানান, গতকাল রোববার সিদ্ধান্ত হয়েছে, মে মাসের শেষের দিকে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি, সম্পাদক পরিষদ, বিএফইউজে এবং টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাডকোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে বাক স্বাধীনতার বিষয়ে যে কথা বলা হয়েছে, এই আইনের মাধ্যমে সে বিষয়ে সন্দেহ থাকলে সেটা দূর করার জন্য যে প্রচেষ্টা নেওয়া দরকার সেটা তাঁরা নেবেন’।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ঈদের সময় নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো থাকবে রাজধানী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের ছুটিতে এখন ফাঁকা রাজধানী। নেই চিরচেনা সেই কর্মব্যস্ত রূপ। আর এমন সময়ে অপরাধীচক্র যেন তৎপর হওয়ার সুযোগ না পায়, সেজন্য...

ঢাকা ফাঁকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদযাপন করতে ঢাকা নগরীতে গত সপ্তাহজুড়েই ছিল মানুষের ঢল। জীবিকার টানে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is