ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

রয়েছে পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ; তবুও বাড়ছে দাম;পাল্টাপাল্টি দোষারোপ

প্রকাশিত: ০৯:৫৫ , ১৬ মে ২০১৮ আপডেট: ০২:৩৫ , ১৬ মে ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: রোজায় মোটাদাগে যে ৮/১০টি পণ্যের চাহিদা বাড়ে, দু’তিন মাস আগে থেকেই সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে এসব পণ্যের মজুদ বাড়ানো হয়েছে। তারপরেও, রোজা শুরুর আগেই ছোলা, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, চিনির দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার জন্য খুচরা বিক্রেতারা দোষ দেন পাইকারিদের ওপর। আর পাইকারি ব্যবসায়ীরা দুষেন আমদানিকারকদের। মাঝখানে পকেট কাটা যায় সাধারণ মানুষের।
রমজানকে সামনে রেখে মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় যেমন যুক্ত হয় বিশেষ কিছু পদের খাবার; তেমনি তার চাহিদা মেটাতে বাজারে থাকে বাড়তি পণ্যের সমাগম। গত মার্চ পর্যন্ত এসব পণ্য আমদানির জন্য খোলা এলসি’র তথ্য থেকে দেখা যায়, রমজান মাসে যে পরিমাণ চাহিদা সৃষ্টি হয় তার চেয়ে চিনি আমদানি হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টন বেশি। বছরের অন্য সময়ের ছোলা ছয় লাখ টন, খেজুর ৪৫ হাজার টন, পেঁয়াজ ১৩ লাখ টন বেশি আমদানি হয়েছে।
অন্যান্য সময়ের তুলনায় ছোলার ব্যাপক চাহিদা থাকে রমজান মাসে। পণ্যটি মান ভেদে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। অথচ মাস খানেক আগেও ছোলার দাম ছিল কেজিতে ৬০ টাকা। অন্যদিকে এক মাস আগে হাতে ভাজা মুড়ি ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১’শ ৪০ টাকায় ঠেকেছে। এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্ধ ক্রেতারা।
বিক্রেতারা বলছেন, আমদানি করা পেঁয়াজের দাম খুব একটা না বাড়লেও এক মাসের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে  প্রতি কেজিতে ১৫টাকা। আর আদা, রসুন ও কাঁঁচামরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। আর ৫ টাকা বেড়েছে প্রতি কেজি চিনিতে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

নতুন ন্যূনতম মজুরি অন্যায্য : বিশ্লেষক ও শ্রমিক প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক: তৈরী পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি প্রায় ৫১ শতাংশ বাড়ানো হলেও একে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির তুলনায় অপ্রতুল বলে মনে করছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is