ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯, ৭ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-21

, ১৪ রজব ১৪৪০

এন্টার্কটিকার বরফের নীচে বিশাল পর্বতশ্রেণি

প্রকাশিত: ০৫:১৭ , ৩০ মে ২০১৮ আপডেট: ০৫:১৭ , ৩০ মে ২০১৮

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: এন্টার্কটিকা মানেই রহস্যে মোড়া একটা মহাদেশ। আকারে তেমন বড় না হলেও মোটামুটি হিসেব করে বলা যায়, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিগুণ। এ মহাদেশের বেশির ভাগটাই বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। কী আছে সেই চাদরের নীচে? সাম্প্রতিক আবিষ্কারের ভিত্তিতে ব্রিটেনের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পশ্চিম এন্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ বরফস্তরের নীচে রয়েছে আস্ত একটা পর্বতশ্রেণি। যেন সারি দিয়ে রয়েছে মগ্নমৈনাকেরা। তাদের মাঝে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে কয়েকশো মাইল ছড়ানো তিনটি উপত্যকাও। এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ‘জিয়োফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’ পত্রিকায়।
এই লুকোচুরি কতদিন চলছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বরফ-তল্লাশি চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ভূপৃষ্ঠের ছবি তুলে চলেছে প্রচুর কৃত্রিম উপগ্রহ। মাটির গভীরে কোথায় কী রয়েছে, তার ছবিও ধরা পড়ে তাতে। কিন্তু সেগুলির প্রায় সবই এমন ভাবে পৃথিবীকে পাক খাচ্ছে যে, দক্ষিণ মেরুর  ওই অংশ এত দিন ধরা পড়েনি সেগুলির ক্যামেরা বা রেডারে। তাই বরফ ভেদ করে দেখতে পায় এমন বিশেষ রেডারের সাহায্যে এই মহাদেশের মানচিত্র নতুন ভাবে তৈরি করতে চেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। আর তাতেই উঠল পর্দা।
‘পোলার গ্যাপ’ নামে গবেষকদের বিশেষ এই অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে, পশ্চিম এবং পূর্ব আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণকে জুড়ে রেখেছে ওই তিন উপত্যকা। কিন্তু এতে একটা সমস্যাও আছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ওই বরফ ঢাকা পাহাড় ও উপত্যকার কারণে সমুদ্রতলের উচ্চতা বাড়তে পারে অচিরে। সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন  গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, উষ্ণায়নে বিশ্বের সর্বত্র বরফ গলছে। ব্যতিক্রম নয়, আন্টার্কটিকার ওই বরফের চাদরও। বরফ গলে স্বাভাবিক নিয়মেই তা ছড়িয়ে পড়ার কথা। কিন্তু এখানে বাগড়া দিচ্ছে তলায় লুকিয়ে থাকা ওই পর্বতশ্রেণি আর উপত্যকা তিনটি। বরফ গলে দ্রুত এন্টার্কটিকার মাঝের অংশ থেকে সরে যাচ্ছে কিনারার দিকে। আর এই কারণেই আগামী দিনে সমুদ্রের জলস্তর আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

স্বল্প খরচে সর্বোচ্চ উন্নয়ন কৌশল ঠিক করুন : প্রকৌশলীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বল্প খরচে মানুষ সর্বোচ্চ সুবিধা পায় এমনভাবে উন্নয়ন কৌশল প্রনয়ন করতে প্রকৌশলীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is