ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-24

, ১৮ শাবান ১৪৪০

শরীরের পেশি গঠনে সহায়ক খেজুর

প্রকাশিত: ০১:০৬ , ০৪ জুন ২০১৮ আপডেট: ০১:০৬ , ০৪ জুন ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: খেজুর সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল। খেজুরে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। এছাড়া খেজুর খাওয়া সুন্নত। খেজুর শরীরে শক্তি জোগায়। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) রমজানে ইফতার করতেন খেজুর দিয়ে। এছাড়াও খেজুরের রয়েছে অনেক পুষ্টি উপাদান। 

১. খেজুর শরীরের পেশি গঠন করতে সহায়তা করে । ৩০ গ্রাম খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মি.লি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। 

২. খেজুরে রয়েছে ভিটামিন ই, ভিটামিন ও  ভিটামিন সি । খেজুর দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। খেজুরে থাকা ভিটামিন এ  রাত কানা রোগ প্রতিরোধেও অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া ভিটামিন কে, যা কাটা-ছেড়ায় রক্তক্ষরণ রোধ করতে অর্থাৎ রক্ত জমাট বাঁধাতে সাহায্য করে। তাছাড়া হজম ও হাড়ের গঠনেও সাহায্য করে এই উপাদান।

৩. খেজুরে থাকা ভিটামিন বি ও বি-সিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

৪. খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ আয়রন। যা মানবদেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। যাদের দুর্বল হৃৎপিন্ড খেজুর হতে পারে তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ।

৫. খেজুর শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। 


৬. খেজুরে খেজুরের জিয়াজানথিন উপাদান বার্ধক্য জনিত কারণে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়।

৭. খেজুরে আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, কপারের মতো প্রায় ১৫টি খনিজ উপাদান। কপার লহিত রক্ত কণিকা গঠনে সাহায্য করে, আয়রন রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমায়।

৮. খেজুর পরিপাকতন্ত্রে উপকারী ব্যাক্টেরিয়া উৎপাদনে সাহায্য করে। তাছাড়া এর ফাইবার অ্যাবডমিনাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

৯. খেজুরে স্যাচারেইটেড ফ্যাট ও ট্র্যান্স ফ্যাট নেই। তাছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
 

এই বিভাগের আরো খবর

শ্বাসকষ্ট দূর করবে ব্যায়াম!

অনলাইন ডেস্ক: হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট যে কতটা কষ্টদায়ক রোগ, তা কেবল ভুক্তভোগীরা জানেন। এ রোগ নিরাময়ের জন্য হরেক রকম ওষুধ ও কৌশল আবিষ্কৃত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is