ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-14

, ৫ রবিউস সানি ১৪৪০

খালেদা জিয়াকে সিএমএইচে নেওয়ার প্রস্তাব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ০৩:৩২ , ১২ জুন ২০১৮ আপডেট: ০৩:৪৩ , ১২ জুন ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) পরিবর্তে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিতে খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনের পর তাকে সিএমএইচে নেওয়ার প্রস্তাব দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বিএনপি চেয়ারপারসনকে মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি থাকলেও তার অনীহার কারণে নেওয়া যায়নি বলে জানান কারা মহাপরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন ।

তখন তিনি বলেছিলেন, কারাবিধিতে বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ না থাকায় তা পেতে হলে খালেদা জিয়াকে আবেদন করতে হবে।

এরপর খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে ইউনাইটেড হাসপাতালে নিজ খরচে চিকিৎসা নেওয়ার আবেদন নিয়ে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যায়।

সেই আবেদন পাওয়ার পর ইউনাইটেডের বদলে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার প্রস্তাব তোলেন আসাদুজ্জামান কামাল।

তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, কারাবিধি অনুযায়ী খালেদা জিয়াকে ‘সর্বোচ্চ সেবা’ দেওয়ার লক্ষ্যে তারা এখন সিএমএইচের প্রস্তাবটি দেবেন।

মন্ত্রী বলেন, “তিনি যদি সেখানে (সিএমএইচ) যেতে চান, আমরা সেখান থেকেও তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে দিতে পারি। আমরা তার চিকিৎসার জন্য সরকারিভাবে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নিয়েছি।”

বেসরকারি ইউনাইটেডকে বাদ দিয়ে কেন সিএমএইচ- উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রাইভেট হাসপাতালটির চেয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও সিএমএইচ অনেক সমৃদ্ধ। সেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারও রয়েছেন। তাছাড়া সিএমএইচ অনেক ক্রাইসিস মোমেন্টে ভূমিকা রেখেছে। সেই বিবেচনায় আমরা সিএমএইচের প্রস্তাব দেব।”

কারা মহাপরিদর্শকের বক্তব্য অনুযায়ী, খালেদা জিয়া ইউনাইটেড হাসপাতাল ছাড়া অন্য কোথাও চিকিৎসা নিতে চান না।

সেক্ষেত্রে কী হবে- জানতে চাইলে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, “আমরা মনে করি, তার সিএমএইচে যাওয়া উচিৎ। আমরা এখন তাকে প্রপোজালটা দেব। তিনি কি রিঅ্যাকশন দেন, সেটা আমরা দেখব।”

ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার আবেদন বিবেচনার কোনো সুযোগ রয়েছে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটার কোনো যুক্তি আছে বলে আমার মনে হয় না। সিএমএইচে না যাওয়ার মতো যুক্তি আমার মনে হয় থাকতে পারে না।”

৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ার পর থেকে চার মাস ধরে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত এই কারাগারে একমাত্র বন্দি হিসেবে রয়েছেন।

তিনি একবার অসুস্থ হয়ে পড়লে গত এপ্রিলের শুরুতে তাকে একবার বিএসএমএমইউতে নিয়ে এক্স রে করানো হয়েছিল।

গত ৫ জুন তিনি হঠাৎ করে কারাগারে ‘মাথা ঘুরে’ পড়ে গেলে তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে বিএনপি; তাকে দেখতে গত শনিবার কারাগারে যান তার ব্যক্তিগত চারজন চিকিৎসক।

খালেদার ‘মাইল্ড স্ট্রোক’ হয়েছে ধারণা করে তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়ার সুপারিশ করেন তারা। 

 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রামে ব্যস্ত প্রার্থীরা, উন্নয়ন আর দিনবদলের প্রতিশ্রুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ভোটের মাঠ। মূল সড়ক থেকে পাড়া-মহল­া সবখানেই এখন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is