ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮, ৫ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-19

, ৬ জিলকদ্দ ১৪৩৯

চাঁদের পেছনে কেমন, জানতে ভারতের চন্দ্রাভিযান

প্রকাশিত: ০৬:০৬ , ২৯ জুন ২০১৮ আপডেট: ০৬:০৬ , ২৯ জুন ২০১৮

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: এতদিন সবাই মহাকাশযান পাঠিয়েছে চাঁদের আলোকিত পিঠে। এবার প্রথম বারের মত নতুন একটা ইতিহাসের সামনে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। প্রথম পৃথিবীর কোনও দেশ পাড়ি দিচ্ছে চাঁদের অন্ধকার পিঠে। এই অভিযান সফল হলে নিঃসন্দেহে তা ইসরোর মুকুটে নতুন পালক হিসেবে চিহ্নিত হবে।
চলতি বছরের অক্টোবরে ওই যানটি চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করবে। ছ’চাকার রোভার চাঁদের মাটিতে নেমে ১৪ দিন ধরে ৪০০ মিটার ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট অঞ্চল জুড়ে তল¬াশি চালিয়ে নমুনা ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চালাবে। পাশাপাশি ওই রোভার চন্দ্রপৃষ্ঠের ছবিও তুলবে, যা থেকে ইসরো তাদের গবেষণা চালাবে।
এদিকে কেবল ভারতই নয়, আমেরিকাও ওই অঞ্চলে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে। তবে এখনই নয়, ২০২০ সালের প্রথম দিকে হয়তো চাঁদের উলটো পিঠে নামবে মার্কিন যান। সেই হিসেবে ইসরো তার বহু আগেই সাফল্য পেতে চলেছে।
কিন্তু কেন চাঁদের ওই অংশে যেতে চায় ভারত বা আমেরিকা? চাঁদে জলের চিহ্ন খোঁজার পাশাপাশি হিলিয়াম-৩-রও সন্ধান চালাতে চান মহাকাশ গবেষকরা। নিঃসন্দেহে চাঁদের মাটিতে এই আইসোটোপের সন্ধান পাবে যে দেশ, তারা বিরাট শক্তি অর্জন করবে। ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিভান এপ্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘‘আমি এই প্রক্রিয়ার কেবল অংশমাত্র হতে চাই না। এটির নেতৃত্ব দিতে চাই।’’
যদিও ভারতের প্রথম মহাকাশচারী রাকেশ শর্মা চাঁদের পিঠে এই ধরনের অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে কেবল ব্যবসায়িক মনোবৃত্তিকে দেখতে চান না। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আপনি চাঁদে গিয়ে পাঁচিল তুলে দিতে পারেন না। আমি চাই, ভারত দেখিয়ে দিক যে আমরা জনসাধারণের ভালর জন্য কীভাবে স্পেস টেকনোলজিকে কাজে লাগাতে পারি।’’ 

এই বিভাগের আরো খবর

শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ জুলাইয়ে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: আগামী জুলাই মাসেই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব। এই শতাব্দীর দীর্ঘতম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হবে ২৭...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is