ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-19

, ১৪ রমজান ১৪৪০

হাওরে মড়কের কারণ খুঁজতে কাজ করছেন বিশেষজ্ঞরা

প্রকাশিত: ০৩:০৯ , ২৩ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০৩:০৯ , ২৩ এপ্রিল ২০১৭

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: হাওরের পানি বিষাক্ত হওয়া এবং মাছ ও হাঁসের মড়কের কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছেন আণবিক শক্তি কমিশনের বিশেষজ্ঞরা। সুনামগঞ্জের পাঁচটি হাওর ও একটি নদীর পানি, মরা গাছ, হাঁসের মৃতদেহ ও মাটি পরীক্ষা করে তারা জানিয়েছেন, হাওরের পানিতে ক্ষতিকর ইউরেনিয়াম বা তেজস্ক্রিয় কোনও পদার্থের সন্ধান মেলেনি। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দল বলেছিলো, অ্যামোনিয়া গ্যাস বেড়ে যাওয়ায় পানি বিষাক্ত হওয়ার কারণ।

বর্ষা মৌসুমের অনেক আগেই এবার হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে হাওরের পানি বেড়ে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে যায়। গত সপ্তাহে শুরু হয় মাছ ও হাঁসসহ জলজ প্রাণীর মড়ক। প্রাথমিকভাবে ধানগাছ পচে অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়ানোর কারণে মাছ ও হাঁস মরছে বলে ধারণা করা হয়েছিল।

কিন্তু হাওরের পানিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছাকাছি মেঘালয়ের একটি অসম্পূর্ণ ইউরেনিয়াম খনি থেকে ইউরেনিয়াম মিশে ভয়াবহ বিপর্যয় হতে পারে-- এমন খবর প্রকাশের পর গতকাল শনিবার সুনামগঞ্জে যায় আণবিক শক্তি কমিশনের তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল। আজ রোববার পানি, মাটি এবং মরা মাছ ও হাঁস পরীক্ষা করে তেজস্ক্রিয়তার কোনো প্রমাণ পাননি তাঁরা। 

এর আগে গতকাল হাওরের পানি ও জলজ প্রাণীর এ মড়ক পরীক্ষায় কাজ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের ৫ সদস্যের একটি দল। হাওর  অঞ্চলের পানিতে তাঁদের পরীক্ষা-নিরিক্ষা চালিয়ে প্রাথমিকভাবে অ্যামোনিয়া গ্যাস বৃদ্ধি ও পানিতে অক্সিজেন কমে যাওয়াকে দায়ি করেন তাঁরা। 

এ ছাড়াও এই মহামারীর কারণ উদঘাটনে আলাদাভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ মৎস্য ও নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is