ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ৫ মাঘ ১৪২৫

2019-01-19

, ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

ঘরে বসেই সরিয়ে ফেলুন শরীরের অযাচিত তিল

প্রকাশিত: ০৪:২৯ , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৪:৩১ , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গাল, ঠোঁটের কোণে বা হাতের তিল অনেক সময় অনেকের সৌন্দর্য বহুগুন বাড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু এই তিলের সংখ্যাই যদি অনেক বেশি হয়, তখন তা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের দেহের কোষ যখন আলাদাভাবে বেড়ে উঠার বদলে একত্রে বেড়ে উঠে তখন সেই স্থানে তিলের জন্ম হয়। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দেহের তিল অপসারণ করা যায়, তবে খুব বেশি অস্ত্রোপচারে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। তাই ঘরে বসেই খুব সহজে শরীরের অযাচিত তিল মুছে ফেলার কৌশল শিখে নিন।

তিল অপাসারনে ক্যাস্টর অয়েল: বিভিন্ন শারীরিক যত্নে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা হয়। আর এই ক্যাস্টর অয়েল দিয়েই আপনি আপনার শরীরের অপ্রয়োজনীয় তিল মুছে ফেলতে পারেন। ক্যাস্টর অয়েলের খুব সহজে কোষের ভেতরে চলে যায় এবং গোড়া থেকেই তিল অপসারণে সাহয্য করে। ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে তিল মুছে ফেলতে দু’ধরনের প্যাক বা মিশ্রণ বেশ কার্যকরী।

একটি বেকিং সোডা-যুক্ত আর অন্যটি বেকিং সোডা ছাড়া।

প্রথমে সমপরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল এবং বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এরপর শরীরের তিলযুক্ত স্থানটি ধুয়ে নিয়ে ভাল করে মুছে নিন। এবার ক্যাস্টর অয়েল ও বেকিং সোডার মিশ্রণটি তিলের উপর লাগান (এ ক্ষেত্রে কটন বাডের সাহায্য নিতে পারেন)। দিনে ৬-৭ বার এই কাজটির পুনরাবৃত্তি করুন।

যদি বেকিং সোডা ব্যবহার করতে না চান তবে শুধু মাত্র ক্যাস্টর অয়েলই ব্যবহার করুন। কয়েক দিনের মধ্যেই পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। তিলের আকৃতি ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে শুরু করবে এবং একটা সময় সেটি থাকবে না।

ক্যাস্টর অয়েল ও বেকিং সোডার মিশ্রণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

ক্যাস্টর অয়েল বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে এটি ব্যবহারে যদি আপনার ত্বক জ্বালা করতে শুরু করে তবে বুঝবেন আপনার ত্বকে এলার্জির সমস্যা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার না করাই ভাল। আর গর্ভাবস্থায় ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা উচিত নয়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ঘুমের মধ্যে পায়ে টান পড়ে?

ডেস্ক প্রতিবেদন: হঠাৎ প্রবল যন্ত্রণা। পা সোজা করতে পারছেন না। ভোর রাতে পায়ের পেশিতে টান লেগে আমারা অনেকেই ভুগে থাকি। ফলে অসহ্য যন্ত্রণার...

শীতকালে গরম পানিতে স্নান স্বাস্থ্যকর না ক্ষতিকর?

ডেস্ক প্রতিবেদন: শীতকাল মানেই অনিয়মিত স্নান। আর স্নান করলেও গরম পানি দিয়ে। অনেকেই মনে করেন ঠান্ডার ভয়ে স্নান না করার চেয়ে গরম পানিতে স্নান...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is