ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫

2018-12-16

, ৭ রবিউস সানি ১৪৪০

'ফরমায়েশি' ও 'প্রতিহিংসার' রায় প্রত্যাখ্যান, কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির

প্রকাশিত: ০২:২৪ , ১০ অক্টোবর ২০১৮ আপডেট: ০২:২৪ , ১০ অক্টোবর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: 'ফরমায়েশি' ও 'প্রতিহিংসার' রায় উল্লেখ করে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায় প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বুধবার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রায় প্রত্যাখ্যান করার কথা জানান।

বিএনপির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার পর দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাত দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। 

তিনি বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে আগামীকাল ১১ অক্টোবর ঢাকাসহ সারা দেশের মহানগর জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। ১৩ অক্টোবর ছাত্রদলের সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল, ১৪ অক্টোবর যুবলের সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল, ১৫ অক্টোবর সেচ্ছাসেবক দলের সারা দেশে বিক্ষোভ। ১৬ অক্টোবর বিএনপি ঢাকাসহ সারা দেশে কালো পতাকা মিছিল করবে। 

এ ছাড়া ১৭ অক্টোবর মহিলা দল ঢাকাসহ সারা দেশে মানববন্ধন ও ১৮ অক্টোবর শ্রমিক দল ঢাকাসহ সারা দেশে মানববন্ধন করবে।

এর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ক্ষমতাসীনদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এ রায় দেওয়া হয়েছে। 

এসময় তিনি বলেন, ‘বিএনপি মনে করে এ রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রায়। আমরা এ রায় ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। এটি ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নোংরা প্রকাশ।’

ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, জাতির জন্য দুর্ভাগ্য এ রায়ের মাধ্যমে সরকার আরও একটি নোংরা প্রতিহিংসার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। যেভাবে 'মিথ্যা' মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেভাবে আরেকটি 'মিথ্যা' মামলায় বিএনপির নেতাদের সাজা দেওয়া হলো।

বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন সাজার মাধ্যমে প্রমাণ হলো এ দেশে সাধারণ কোনো মানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যখন সাব জেলে ছিলেন, তখন মামলার সাক্ষী তারেক রহমান বা বিএনপির কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। তখন তিনি এ ঘটনার জন্য সেনাবাহিনীকে দোষারোপ করেছেন। অথচ ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অবসরে যাওয়া পুলিশ কমকর্তা আবদুল কাহার আকন্দকে নিয়োগ দিয়ে তারেক রহমানসহ বিএনপি নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ।

মির্জা ফখরুল বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার কথা বলতে হয়, যে দেশে প্রধান বিচারপতি ন্যায় বিচার পান না, সে দেশে নাগরিকদের ন্যায় বিচার পাওয়ার আশা করা যায় না। তিনি বলেন, আমরা দেশের জনগণকে আহ্বান জানাব, রাজপথে এসে এ অনির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে।

কর্মসূচি বিষয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন, আমাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকবে, পাশাপাশি আইনি কর্মসূচিও থাকবে। তবে সেটি পরে জানতে পারবেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী-সহ প্রমুখ। 

এই বিভাগের আরো খবর

গণতন্ত্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ঐক্যফ্রন্ট: আ’লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে জামায়াত সমর্থিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ...

প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ বিএনপির প্রার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সকাল থেকেই রাজধানীতে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন প্রার্থীরা। ব্যস্ত সময় পার করেন...

ডক্টর কামালের দুঃখ প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে মিরপুর স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৃষ্ট ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is