ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৫

2018-10-22

, ১১ সফর ১৪৪০

দুর্বল ‘তিতলি’: অভ্যন্তরীণ রুটে নৌ চলাচল শুরু 

প্রকাশিত: ০৩:০৫ , ১১ অক্টোবর ২০১৮ আপডেট: ০৩:০৫ , ১১ অক্টোবর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করেছে। স্থলভাগ দিয়ে এটি উপরের দিকে সরছে বিধায় ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। সেজন্য বাংলাদেশও বড় ধরনের ঝুঁকিমুক্ত বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এতে ২১ ঘণ্টা পর বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ রুটে নৌ চলাচল শুরু হয়েছে।

সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক (পরিচালকের পক্ষে) স্বাক্ষরিত সর্বশেষ ১৫ নম্বর বিশেষ বুলেটিনের মাধ্যমে জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় তিতলি উড়িষ্যা থেকে আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশ দুর্বল হতে পারে। এটি বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানার ঝুঁকি কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এ বুলেটিনে আরও বলা হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালার সৃষ্টি হচ্ছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত  নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জনসংযোগ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদার জানান, আবহাওয়া অধিদপ্তর নদীবন্দরগুলোতে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। তাই উপকূলীয় এলাকা ছাড়া দেশের অভ্যন্তরে নৌ চলাচল আবার শুরু কররার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে বুধবার সারাদেশে অভ্যন্তরীণ রুটে নৌ চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় বিআইডব্লিউটিএ। ফলে বুধবার বিকাল সাড়ে তিনটার পর ঢাকার সদরঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়া হয়নি। ওই সময়ের আগে উপকূলীয় বিভিন্ন জেলা থেকে রওনা হওয়া ১০টি লঞ্চ বৃহস্পতিবার সকালে নিরাপদে সদরঘাটে ভেড়ে বলে জানান বিআইডব্লিউটি এর পরিবহন পরিদর্শক সৈয়দ মাহাবুবুর রহামান মাহফুজ।

এর আগে ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত অন্ধ্র-উড়িষ্যা উপকূলে ‘তিতলি’র তাণ্ডব চলে। আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলায় আঘাত হানার সময় ‘তিতলি’র গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। অন্ধ্রে প্রলয়কাণ্ড চালিয়ে উত্তরের দিকে এসে উড়িষ্যার গানজাম জেলায় আছড়ে পড়ার সময় এর তীব্রতা কিছুটা কমে যায়। সেসময় এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার পর্যন্ত।
 

এই বিভাগের আরো খবর

মায়ের কোল থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীতে পিকআপের ধাক্কায় রিকশায় থাকা মায়ের কোল থেকে পড়ে নাবিলা নামের এক বছরের বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে। গতরাত সাড়ে দশটার...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is