ঢাকা, শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-22

, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪০

২৫ হাজার রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে প্রস্তুত ভাসান চর: মায়া

প্রকাশিত: ০৫:৪৩ , ১১ অক্টোবর ২০১৮ আপডেট: ০৫:৪৩ , ১১ অক্টোবর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: নোয়াখালীর ভাসান চরে পঁচিশ হাজার রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করার মত ব্যবস্থা হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

আজ বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড় তিতলি মোকাবিলার প্রস্তুতি তুলে ধরতে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

এক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিতে ভাসান চরে অবকাঠামো নির্মাণসহ যে আশ্রয়ণ প্রকল্প সরকার বাস্তবায়ন করছে, গত ৪ অক্টোবর তার উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু সময় স্বল্পতায় তিনি এখনও ভাসান চরে যাননি।

এ নিয়ে এক প্রশ্নে জবাবে মায়া বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যেদিন সময় দেবেন সেদিন ভাসান চরের উদ্বোধন করা হবে, আমরা প্রস্তুত, সেখানে ২৫ হাজার রোহিঙ্গাকে নেওয়ার মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে “

গত কয়েক দশক ধরে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির ও তার বাইরে অবস্থান নেওয়া চার লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে নিয়ে সামাজিক নানা সমস্যা সৃষ্টির প্রেক্ষাপটে তাদের নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার কাছে মেঘনার মোহনার বিরান দ্বীপ ভাসান চরে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করে সরকার।

এর মধ্যে অগাস্টের শেষে মিয়ানমারের রাখাইনে নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হলে আবারও রোহিঙ্গার ঢল নামে। এ দফায় সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়ায় ভাসান চরকে দ্রুত বসবাসের উপযোগী করার উদ্যোগ নেয় সরকার।     

এই প্রেক্ষাপটে গতবছরের শেষ দিকে একনেকে ২৩১২ কোটি টাকার প্রকল্প পাস হয়। এর আওতায় মোটামুটি ১০ হাজার একর আয়তনের ওই চরে এক লাখের বেশি মানুষের বসবাসের জন্য ১২০টি গুচ্ছ গ্রামে ১৪৪০টি ব্যারাক হাউজ ও ১২০টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

হাতিয়া থানাধীন চর ঈশ্বর ইউনিয়নের ভাসান চরে এই আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। পুরোপুরি সরকারি অর্থায়নের এ প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালের নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারিত আছে।

 সেখানে অল্প সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ করে দেওয়ায় নৌবাহিনীকে ধন্যবাদ জানান ত্রাণমন্ত্রী।
ভাসন চরে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ‘অস্থায়ীভাবে’ রাখা হবে জানিয়ে মায়া বলেন, “তারা মিয়ানমারের নাগরিক। ওই দেশের নাগরিক হিসেবে সম্মানের সাথে দেশে ফিরে যাবে, এটাই আমরা চাই।”

তিনি আরও বলেন, “যখন রোহিঙ্গারা আসে তখন ছিল হাড্ডিসার, কাপড় ছিল না, চেহারা ছিল না, ৃবস্ত্র নাই, কিচ্ছু নাই। এখন যদি যান দেখবেন হৃষ্টপুষ্ট আছে।”

ভাসান চরের পুরো প্রকল্পের ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে জানিয়ে এ প্রকল্পের কর্মকর্তারা বলছেন, রোহিঙ্গাদের জন্য থাকার ঘর করা হয়েছে, সাইক্লোন শেল্টার করা হয়েছে, মালামাল রাখার গোডাউন রয়েছে, বাঁধ নির্মাণ এবং সমুদ্র থেকে মালামাল নামাতে জেটিও করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ভাঙ্গতে হবে কি না, সিদ্ধান্ত সাতদিন পর: ডিএসসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা সিটি করপোরেশনের এগার সদস্যের তদন্ত কমিটি জানায়,  আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ ভবনগুলো ভেঙ্গে ফেলতে হবে কিনা, তা জানা যাবে...

নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করেছে ঢাকেশ্বরী মন্দির এর ভক্তরা।...

চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের যথাযথ তদন্তের আহবান ড. কামালের

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is