ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-16

, ১০ জমাদিউল সানি ১৪৪০

ঘুরে আসুন মেঘের রাজ্য নীলগিরি

প্রকাশিত: ০৭:৩০ , ০৬ নভেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৭:৩০ , ০৬ নভেম্বর ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: প্রকৃতির এক অনন্য দান বান্দরবানের নীলগিরি। যেখানে গেলে দেখতে পারবেন মেঘ আর পাহাড়ের মিতালী। যেখানে মেঘেরা আপন থেকে ছুঁয়ে যাবে আপনাকে। মাথার উপর নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা খেলা করে নীলগিরি পাহাড়ে। অপরূপ সৌন্দর্যের এক সৃষ্টি নীলগিরি। নীলগিরির কারণে বান্দরবানকে বাংলাদেশের দার্জিলিং বলা হয়। শীতকাল এবং বর্ষাকাল দুই ঋতুতেই এখানে ভ্রমণে অনেক বেশি আনন্দ।

সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২২০০ ফুট উপরে অবস্থিত এই ভ্রমণ স্পটটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্মিত এবং পরিচালিত হয়।  এখানে গড়ে তোলা হয়েছে আকাশ নীলা, মেঘদূত, নীলাতানা নামে পর্যটকদের জন্য সকল সুবিধা সম্বলিত তিনটি কটেজ। কটেজগুলো রাত্রি যাপনের জন্য ভাড়া পাওয়া যায় এক হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকার মধ্যে। রয়েছে অত্যাধুনিক একটি রেস্টুরেন্টও। পাহাড়ি পথ পেরিয়ে নীলগিরিতে পৌঁছেই রেস্টুরেন্টে পেট পুরে খাওয়া যায়।

নীলগিরির চূড়া থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাহাড় কেওক্রাডং, প্রাকৃতিক আশ্চার্য বগালেক, কক্সবাজারের সমুদ্র, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের আলো-আঁধারি বাতি এবং চোখ জুড়ানো পাহাড়ের সারি দেখতে পাওয়া যায়।   

যা দেখবেন:
চারদিকে শুধু পাহাড় আর পাহাড়। দু চোখ যেদিকে যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। নীলগিরি যেন প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। শুষ্ক মৌসুমে এখানে থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। আর বর্ষা মৌসুমে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র থেকে মেঘ ছোঁয়ার দূর্লভ সুযোগ রয়েছে। এডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য রাতের নীলগিরি হতে পারে উৎকৃষ্ট স্থান। কারণ, রাতে চারিদিকের হরিণ, শিয়ালসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণির ডাক আর পাহাড়গুলোর আলো-আঁধারির রহস্যময় খেলা দেখতে পাবেন। এছাড়াও দেখতে পাবেন বান্দরবানের উপর দিয়ে বয়ে চলা সর্পিল সাঙ্গু নদীর অপরূপ সৌন্দর্য।
 
নীলগিরি যাওয়ার পথে আরও দেখবেন বান্দরবানের অপার সৌন্দর্যময় শৈলপ্রপাত।  এর পরই দেখা মিলবে আরেক  চমৎকার জায়গা স্বপ্নচূড়া। বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড় রয়েছে এরপরেই।
 

কিভাবে যাবেন:
ঢাকা থেকে ভাল মানের চেয়ারকোচ প্রতিদিন বান্দরবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।  পর্যটকদের নীলগিরি যেতে হলে বান্দরবান এসে সেখান থেকে জেলা সদরের রুমা জীপষ্টেশন থেকে থানছিগামী জীপ অথবা বাসে করে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে যেতে হবে। বান্দরবন জীপ ষ্টেশন থেকে জীপ, ল্যান্ড রোভার, ল্যান্ড ক্রুজারসহ অন্যান্য হালকা গাড়ী ভাড়ায় পাওয়া যায়।  
 
কোথায় থাকবেন :
বান্দরবানে থাকার জন্য অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে। যেখানে ৬০০ থেকে তিন হাজার টাকায় রাত্রিযাপন করতে পারবেন।

এই বিভাগের আরো খবর

প্রকৃতির নিস্বর্গ শিলং

ডেস্ক প্রতিবেদন: শিলং উত্তর-পূর্ব ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ৯০৮ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত শিলং-এ প্রচুর বৃষ্টিপাত...

অবসরে ঘুরে আসুন জিন্দা পার্ক

ডেস্ক প্রতিবেদন: নগর জীবনের যান্ত্রিক কোলাহল ছেড়ে একটুখানি শান্তির পরস পেতে কার  না মনে চায়। আর তাই একটুখানি শান্তির ছোঁয়া পেতে অবসরে...

মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স 

ডেস্ক প্রতিবেদন: মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্স বান্দরবান জেলার প্রবেশ পথে বান্দরবান-কেরাণীহাট সড়কের পাশে পার্বত্য জেলা পরিষদ সংলগ্ন এলাকায়...

বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণ বগালেক

ভ্রমণ ডেস্ক: বগাকাইন লেক বা বগালেক বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেসে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায়...

ঘুরে আসুন মাধবপুর লেক

ডেস্ক প্রতিবেদন: মাধবপুর লেক বা হ্রদটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। কমলগঞ্জ উপজেলা সদরে থেকে মাধবপুর লেকের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is