ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-20

, ১৮ জিলহজ্জ ১৪৪০

অনিবন্ধিত দলের সদস্য নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হতে পারবেন : ইসি

প্রকাশিত: ০২:৫১ , ০৯ নভেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৩:১৪ , ০৯ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। তিনি আরও জানান, নিবন্ধন নেই এমন দলের সদস্যরা যেকোনো নিবন্ধিত দলের প্রার্থী হতে পারবেন। শুক্রবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

হেলালউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন আচরণবিধি অনুযায়ী, মিছিল, মশাল মিছিল বা শোডাউন করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আমরা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশনা দিয়েছি।

সচিব বলেন, আগামী সাতদিনের মধ্যে সব ধরনের প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে হবে। এক্ষেত্রে যারা পোস্টার, তোরণ, গেটসহ নানা ধরনের প্রচারণা চালিয়েছে, নিজ উদ্যোগে তাদের প্রচারণা সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে হবে। প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না। প্রচার সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে আমরা জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনারদেরও নির্দেশনা দিয়েছি।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, অনিবন্ধিতরা নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোট করতে পারবে না। কিন্তু নিবন্ধিত দল চাইলে অনিবন্ধিত দলের সদস্যদের তাদের প্রতীকে প্রার্থী দিতে পারবে।

দলের প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সংশ্লিষ্ট দলের নূন্যতম তিন বছর সদস্য থাকার বিধান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ থেকে ২০১৩ সালে তুলে দেওয়ায় এমন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বর্তমানে বিভিন্ন জোটের অনিবন্ধিত দলগুলোর পরিচিত নেতারা বড় কোনো দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি নিবন্ধন বাতিল হওয়া বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর নেতারদেরও বিএনপি বা অন্য কোনো দলের প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে।

জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে, দলটির সদস্য থাকা অবস্থায় কেউ যদি স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করতে চায়, সেটা বন্ধ করার কোনো উপায় আছে কি-না? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এমন কোনো আইন নেই।

এই অবস্থায় জামায়াতের প্রার্থীরাও স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করতে পারবেন।

কমিশন সচিব সাংবাদিকদের আরও জানান, যদি কোন অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দলের জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করতে চায় তবে তাদের আগামী তিনদিনের মধ্যে তা নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is