ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-25

, ১৮ রজব ১৪৪০

জাতিসংঘে স্থায়ী মিশনে নববর্ষ উদযাপন

প্রকাশিত: ০২:৫২ , ৩০ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০২:৫২ , ৩০ এপ্রিল ২০১৭

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষ-১৪২৪ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার বর্ণিল সাজে সাজানো হয় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনকে। নতুন বাংলা বছরকে স্বাগত জানানোর এ আয়োজনে স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং তাদের পরিবারের সদস্য ছাড়াও সপরিবারে উপস্থিত হন জাতিসংঘসহ  নিউইয়র্কস্থ বিভিন্ন মিশনের কূটনীতিকগণ। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞিপ্তিতে একথা বলা হয়েছে।

মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনকে আবহমান বাঙালির সংস্কৃতির অসংখ্য উপাদান যেমন ঢাক-ঢোল-একতারা, পালতোলা নৌকা, ডালা-কুলা, তালপাতার পাখা, নকশী কাঁথা, মাটির পুতুল, মাটির তালা-বাসুন, কাঁচের চুড়ি, মাছ ধরার পোলো, পালকি, পাটের সুতার সিকা, আলপনা ও নানা-বর্ণের ব্যানার-ফ্যাস্টুন-বেলুন দিয়ে সাজানো হয়।
    
বিকেল সাড়ে ছয়টায় অতিথিদেও অভ্যর্থনা জানান স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রার উপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। নিউইয়র্কস্থ উদিচী শিল্পী গোষ্ঠী পরিবেশন করে ‘এসো হে বৈশাখ’, ‘আমরা এক ঝাঁক পায়রা’, ‘সুন্দরী কমলা নাচে’র  মতো কালজয়ী গানগুলি। ‘মোর ভাবনারে কি হাওয়ায় মাতালো’, ‘আইলো আইলো রে!’, ‘মম চিত্তে’, ‘মাটি মোদের ডাক দিয়েছে’, ‘মিলন হবে কত দিনে’, ‘চলো বাংলাদেশ’, ‘পাগলা হাওয়া’ ইত্যাদি গানের সাথে নিউইয়র্কস্থ বাফাসহ অন্যান্য শিশু শিল্পীদের দলীয় ও একক নৃত্য ছিল এ অনুষ্ঠানের সবচেয়ে উপভোগ্য অংশ।
    
এছাড়া উপজাতীয় মারমা সঙ্গীত পরিবেশন করেন অতিথি শিল্পী তিতুনু মারমা। বাংলাদেশের বরেণ্য সাংস্কৃতিক কর্মী বর্তমানে নিউইয়র্ক প্রবাসি লুৎফুন নাহার লতা ও তাঁর স্বামী মার্ক ওয়েনবার্গ রবীন্দ্রনাথের কবিতা থেকে আবৃত্তি করেন।
    
বিচিত্র রং এর সমাহারে ভিন্ন আমেজ সৃষ্টি হয় পুরো আয়োজন জুড়ে। সৌন্দর্য্যরে বর্ণচ্ছটায় তৈরি হয় এক অনাবিল শান্তির আবহ। বাঙালির সংস্কৃতির এই উৎসবে নতুন মাত্রা যোগ করে বিদেশীদের পরে আসা বৈচিত্র্যময় পোশাক। উপস্থিত বাঙালিরাও রং-বেরংয়ের দেশীয় পোশাক পরে উৎসবে যোগ দেন।
      
খাবারের আয়োজনে ছিল আটপৌরে বাঙালি আমেজ। ঘরে তৈরী পিঠা-পুলি-পায়েস, ক্ষীর, ভাত-মাছ, পোলাও, কাবাব, চটপটি, মুড়ি-মুড়কি-মুয়াসহ নানা ধরনের মসলাযুক্ত বাঙালি খাবারের পদ।   
    
বিদেশী মেহমানগণ বাঙালি আপ্যায়ন ও আনুষ্ঠানিকতায় মুগ্ধ হন এবং এ আয়োজনের ভূয়সি প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সফররত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

এই বিভাগের আরো খবর

শেষ হলো চট্টগ্রামের একুশে বইমেলা, ১৩ কোটি টাকার বিক্রি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামে অমর একুশে বইমেলার শেষ দিনটিও ছিলো লেখক-পাঠকের পদচারণায় মুখর। নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম...

সকলের কাছে পৌঁছায়নি গ্রন্থমেলার সময় বাড়ানোর খবর, তবুও ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: অমর একুশে গ্রন্থমেলায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারের সকালে পাঠক দর্শণার্থীদের উপস্থিতি ছিল কিছুটা কম। মেলার সময়...

বঙ্গবন্ধুর সহচর একেএম শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত 

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা...

ছুটির দিনে বইমেলায় ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক : অমর একুশে গ্রন্থমেলা শনিবার ছুটির দিনে পরিণত হয় পাঠক-লেখকদের মিলন মেলায়। সকালে শিশুপ্রহরে কচিকাঁচাদের পদচারণায় মুখরিত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is