ঢাকা, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-25

, ১৮ রজব ১৪৪০

গো, মাংস, গো-মাংসের ক্রিয়াভিত্তিক-বর্ণভিত্তিক শব্দার্থ

প্রকাশিত: ০১:৩৩ , ০১ মে ২০১৭ আপডেট: ০১:৩৩ , ০১ মে ২০১৭

।। কলিম খান ও রবি চক্রবর্ত্তী ।।

[সম্প্রতি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্য বাদে গুজরাট, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ছত্তিসগড়, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ইত্যাদি রাজ্যে গোমাংসভক্ষণ এবং গোমাংস ক্রয়বিক্রয় নিষিদ্ধকরণ বা সীমায়িতকরণের সপক্ষে-বিপক্ষে যে-উত্তাল বিতর্ক-বিতণ্ডা-বিরোধের (অহিংস এবং সহিংস - উভয় পন্থায়) ঢেউ আছড়ে পড়ছে সারা দেশ জুড়ে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এই গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধটি পুনঃপ্রকাশ অত্যন্ত সময়োচিত বলে আমাদের মনে হয়েছে। কারণ সীমান্তে কাঁটাতার তুলে দেশ ভাগ করলেও, ওপারে আগুন লাগলে তার আঁচ অবলীলায় সীমান্ত পেরিয়ে এপারও জ্বালিয়ে ছারখার করে দেয়। 'বঙ্গযান' ওয়েবপেজ থেকে পাঠকদের সামনে নিবন্ধটি কিছুতা খণ্ডিত আকারে তুলে ধরা হলো। -- বিভাগীয় সম্পাদক]

গো

গো = গম্‌+ও(ড)-কর্ত্তৃবাচ্যে। যে (কেউ) যায়। / যে যায়; যাহা দ্বারা স্বর্গে যায়। গোজাতি, গরু, বৃষরাশি, সূর্য্য, চন্দ্র, গোমেধযজ্ঞ, ইন্দ্রিয়, ঋষিবিশেষ, গায়ক, গৃহ, ৯-সংখ্যা, গোজাতি স্ত্রী, ধেনু, গোধূম, দিক, বাক্‌, বাক্যাধিদেবতা সরস্বতী, পৃথিবী, স্বর্গ, বজ্র, অম্বু, জল, আকাশ, রশ্মি, কিরণ, চক্ষুঃ, বাণ, লোম, কেশ, হীরক, গোসম্বন্ধী দুগ্ধঘৃতচর্ম্মাদি, গৃহপালিত পশুগণ, সিংহ ইত্যাদি।

বঙ্গীয় শব্দকোষ এই শব্দের সংক্ষিপ্ততম ও যথার্থ ক্রিয়াভিত্তিক অর্থ দিয়েছেন 'যে যায়'। এর প্রকৃত অর্থ হল গ (=গামী), গি (=গতিশীল গামী), গু (=নবরূপে উত্তীর্ণ গামী), গে (=দিশাগ্রস্ত গামী) প্রভৃতি সর্ব্বপ্রকারের গামিদের আশ্রয় যাহাতে, সেই হল 'গো' (যেহেতু ও=অ+ই+উ); সে অতি উচ্চ মার্গের গো (ধরা যাক সূর্য্য কিংবা গোলোকবাসী নারায়ণ, গোবিন্দ) থেকে অতি নিম্ন মার্গের গো (ধরা যাক গরু), এদের মধ্যে যে কেউ হতে পারে। কোনো গো বাহ্য চোখে দেখা যায়, কোনো গো-কে চোখ বন্ধ করে দেখতে হয়, নইলে দেখা যায় না; যেমন বাক্‌ কিংবা তত্ত্বকথা। কেউ মুহূর্ত্তে বিশ্বের যে-কোনো স্থানে যেতে পারে, কাউকে আপনি যতটুকু তাড়ালেন ততটুকুই গেল। তার মানে 'গতিশীল বস্তু' মাত্রেই 'গো' পদবাচ্য; অর্থাৎ, Whoever or Whatever goes। উপরোক্ত ৩২টি অর্থের প্রত্যেকটিই কোনো না কোনো ভাবে 'যাওয়া' ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত; তাদের সে-যাওয়ার কথা আমরা জানি কিংবা না-জানি। তবে cow-কে যে 'গো' বলা হত, তার কারণ ভিন্ন। সে অন্য জীবদের মতো হেঁটে-চলে স্থানান্তরে যেতে পারে বলে তাকে 'গো' বলা হত না; তাহলে তো ঘোড়া-গাধা-ছাগলকেও গো বলা যেত। cow-কে 'গো' বলা হত তার বিশেষ 'গতিশীল' ভূমিকার জন্য। এই জীবটিই মানবসভ্যতার হাতে পোষমানা প্রথম জীব যা 'প্রেরিত' হ'ত, তা সে বিনিময়যোগ্য পণ্যরূপে হোক আর বিনিময়ের মাধ্যম রূপেই হোক। উভয় ক্ষেত্রেই সে 'প্রেরিত' হ'ত বা 'যেত'।

একই কথা গোধূম (ধূম বা ধোঁয়ার মতো গুঁড়ো যে বস্তু যায়; অর্থাৎ, গমের আটা-ময়দা ইত্যাদি) সম্পর্কেও বলা যায়। (চালও 'চলে যেত' বলে তার নাম হয়ে যায় চাউল বা চাল। (দ্রষ্টব্য - চাল)। এখানে এ'কথাটি স্মরণে রাখা চাই যে, একালের অর্থনীতির সূত্রানুসারে 'উৎপন্ন' (production) 'পণ্য'-এ (commodity-তে) পরিণত হয় অন্যত্র প্রেরিত হওয়ার জন্য উৎপাদিত হলে। সেই সুবাদে 'গো'-এর বৃদ্ধি করার অর্থই হল পণ্য-উৎপাদন (গো) বাড়ানো (গো-বর্দ্ধন)। তার cow-এর ছিল সর্ব্বপ্রথম 'বিনিময়ের মাধ্যম' হওয়ার যোগ্যতা। Gold-money আবিষ্কারের আগে 'গো'-এর যে সে ভূমিকা ছিলই, তার স্পষ্ট সাক্ষ্য পাওয়া যায় মহাভারতে; কালীপ্রসন্ন সিংহের অনুবাদে যার বয়ান এইরূপ - "গো প্রভৃতি পবিত্রতা-সম্পাদক পদার্থসমূহের মধ্যে সুবর্ণই সর্ব্বাপেক্ষা অধিক পবিত্রতা-সম্পাদক পাদার্থ"। তার মানে গরু দিয়ে যেভাবে যত মাল কেনা যায়, সোনা দিয়ে তার চেয়ে সহজভাবে অনেক বেশী মাল কেনা যায়। (দ্রষ্টব্য - পবিত্র, গুপ্ত, গোপ)। অন্যান্য ভাষায় আজকের প্রতীকায়িত 'গো'-শব্দের (সাদৃশ্য অর্থে বা 'গরু'-অর্থে ভ্রাতৃপ্রতিম (অনাবাসী ভারতীয়!) শব্দের বিভিন্ন রূপগুলি এইরকম - ( Avesta) - gao, (Greek) - Bous, (Latin) - Bos, (Lithuanian) - Cow, (Kelt) - Bo, (English) - cow।

আমাদের মতে, এই গো শব্দের উত্তরাধিকার ইংরেজীর রয়েছে 'go'-রূপে। 'গো' শব্দের যে মূল অর্থ - 'যে যায়' - তার থেকে তাঁরা কেবলমাত্র 'যাওয়া'-কেই ধরে রেখেছেন, যাত্রীকে হারিয়ে ফেলেছেন। পৃথিবীর অন্যান্য ভাষারও এই উত্তরাধিকার কমবেশী রয়েছে। যেমন চীনের 'ngo'। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান বলে নেওয়া দরকার। তা হল, আধুনিক যুগে যে-বঙ্গভাষাবিদগণ একটি ভাষার একটি শব্দের সঙ্গে অন্য ভাষার সমার্থক শব্দের মিল খুঁজতে গিয়েছিলেন, তাঁরা ক্রিয়ামূল ও ধ্বনির দিক দিয়ে তাঁদের অনুসন্ধান করতে যাননি। গিয়েছিলেন শব্দটি যে বস্তু বা বিষয়কে বোঝাচ্ছে, সেই বস্তু বা বিষয়কে অন্য ভাষায় কী বলা হয় তা জানতে। এই 'দেহভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গী'ই তাঁদেরকে সর্ব্ব ভাষার একজাতিয়তায় পৌঁছতে দেয়নি। এর কারণ ছিল 'আধুনিক' যুগের 'দেহভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গীর' রমরমা। হরিচরণও অনেক ক্ষেত্রে সেই ভুল পথে পা দিয়েছেন (যেমন অন্য ভাষায় বাঙলা শব্দের সমার্থক শব্দ খুঁজতে গিয়ে), যদিও নিজের স্বাভাবিক পথটি অনুসরণ করতে তিনি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভোলেননি।

মাংস

মাংস = মন্‌+স-কর্ম্মবাচ্যে। ম-এর (সীমায়িতের) অংস (বিভাজিত রূপ) থাকে যাহাতে; মাং-এর [ মাং=মাম্‌ বা আমাকে; সীমায়িত অংরূপিণী যাহাতে; সীমায়িতের আধার রহস্যরূপী যাহাতে ] নির্য্যাস বা অস্তিত্বটুকু যাহাতে। পিশিত, আমিষ, মৎস্যপিশিত, ফলের শস্য বা শাঁস (the fleshy part of a fruit)। আগেই দেখেছি, মৎস্য শব্দটি বানানোর সময়, পুরুষ প্রকৃতি উভয়ের যোগে কোনো বস্তু তৈরী হয় বলেই পুরুষও তাকে মৎ বা 'আমার' বলতে পারে, প্রকৃতিও তাকে মৎ বা 'আমার' বলতে পারে। কেননা, তাতে উভয়ের মৎ-রূপ 'স' বা অস্তিত্ব প্রবিষ্ট থাকে। মাংস শব্দের বেলায় ঘটেছে একটু আলাদা রকমের ভাবনা। তাতে মানুষের শ্রম-মেধার সীমায়িত রূপের বা ম-এর একপ্রকার অংস (অংশ) বা ভাগ থাকার কথা বলা হয়। যেহেতু 'মাং' শব্দের ভিতরে 'আমি'র একটি রূপ বিদ্যমান, এবং যেহেতু মানুষের উৎপাদিত বস্তু বা বিষয়ে তার শ্রম-মেধার রহস্যরূপ বা ং-রূপ [ অম্‌-রূপ বা অং-রূপ ] ঢুকে পড়ে অস্তিত্ব (স) লাভ করে, সেহেতু মানুষের উৎপাদিত বস্তু বা বিষয় মাত্রেই তেমন বস্তু বিষয়, যার ভিতরে মানুষের শ্রমমেধা-রূপ অস্তিত্বের নিঃসারিত অংশ প্রবিষ্ট হয়ে রয়েছে। (দ্রষ্টব্য - বিশ্ব)। সেই অংশের প্রতি মানুষের দাবিই মাংস-এর প্রতি দাবি। অতএব, মাংসভক্ষণ করা মানে উৎপাদিত বস্তুর ভিতরে ঢুকে থাকা নিজের সেই নিঃসারিত অংশ বা তার পরিবর্ত্ত দাবি করা। তাই অদৃশ্যলোকে এই মাংসের মানে আমরা বুঝব উৎপাদিত বস্তুশরীরের অংশ (বা তার উপর অধিকার বা মালিকানা), এবং দৃশ্যলোকে এই মাংসের মানে বুঝব জীব-শরীরের অংশ। এভাবে দেখলেই দেখা যায়, আমাদের প্রাচীন পূর্ব্বসূরিদের বিভিন্ন বয়ানে থাকা 'মাংস' শব্দটির অর্থ ঠিকঠাক বোঝা যাচ্ছে। এবং এভাবে বুঝলেই 'গোমাংস', 'বৃথামাংস', 'মীমাংসা' প্রভৃতি শব্দের মানে সুষ্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে; এতদিন যেগুলির মানে কিছুতেই ঠিকঠাক বোঝা যায়নি।

শব্দসৃষ্টির ক্ষেত্রে যথারীতি আমাদের প্রাচীন শব্দবিদগণ অদৃশ্য মাংসকেই গুরুত্ব দিয়েছিলেন বেশী; একালে তাকে আমরা 'ব্যক্তিমালিকানার বোধ'রূপে চিনতে পারি। সাদৃশ্যে এসেছে বাহ্যিক flesh ইত্যাদির কথা। উপরোক্ত মৎস্যাদি শব্দে আমরা সেই অদৃশ্য মাংসের কথাও কমবেশী বলেছি। আমাদের বিভিন্ন গ্রন্থেও এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে। সেই কারণে এখানে শুধুমাত্র এই কথাটি উল্লেখ করে যাব যে, অধিকাংশ অভিধানেই গোমাংস শব্দটি নেই। অথচ তা নিয়ে আমাদের সংস্কৃতির কত কথাই না আছে, (দ্রষ্টব্য- বৃথামাংস)। তাছাড়া, একথা এখন প্রমাণিত যে, আমাদের পূর্ব্বসূরিগণ 'বিক্রয়ের জন্য পণ্য উৎপাদন ক'রে, তা বেচে খাওয়ার দ্বারা জীবনযাপন করতে নিষেধ করেছিলেন' (দ্রষ্টব্য - গো), এবং সেকথা বোঝাতে তাঁরা তাঁদের স্বাভাবিক ক্রিয়াভিত্তিক ভাষায় বলে গিয়েছিলেন - 'গো-মাংস ভক্ষণ করিও না'। আমরা আমাদের পাদোদক-মূঢ়তার কারণে তাঁদের সেকথার প্রকৃতি বা প্রধান ও অদৃশ্য গোমাংস শব্দের অর্থটিই বুঝিনি, সেই প্রকৃত গোমাংস মহাসমারোহে খেয়েছি, খাচ্ছি - অর্থাৎ, বিপুল উদ্যমে পণ্য-উৎপাদন করে বিক্রিবাটা করে চলেছি এবং তা বেচে খেয়ে খেয়েই দিন গুজরান করছি। ফলত এখন আমরা আমাদের সেই সৃষ্ট পণ্যের ও সেই পণ্যজাত টাকার দাসে পরিণত হয়েছি; এবং মূর্খদের দর্শনের বাক্য ধার করে নিজেদের সমাজকে নির্লজ্জভাবে 'ভোগিদের সমাজ' (consumer society) বলে ঘোষণা করে গৌরব বোধ করছি। এককালে 'তেন ত্যক্তেন ভূঞ্জীথাঃ' (life from withdrawal) বাক্যের প্রতীকী মানে বা ভুল মানে বুঝে 'ত্যাগিদের সমাজ' গড়ে তুলেছিলাম আমরা; সে ছিল এক জ্বালা! না খেয়ে রোগা রুগী হয়ে মরতে বসেছিলাম আমরা। এখন 'ভোগিদের সমাজ' গড়ে তুলে পড়েছি আরেক জ্বালায়! খেয়ে খেয়ে মোটা রুগী হয়ে আবারও মরতে বসেছি! কে যেন বলেছিল - কাদায় পড়া সারসটা যখন লেজটা তুলতে যায়, ঠোঁটটা যায় কাদায় গেঁথে; আর যখন ঠোঁটটা তুলতে যায়, লেজটা যায় কাদায় আটকে; আমাদের হয়েছে সেই অবস্থা। কি মুশকিলেই না পড়েছি!

তা সে যাই হোক, এখন আমরা দেখছি যে, হিন্দু-মুসলমান নির্ব্বিশেষে এই পণ্যজাত অর্থরূপ গোমাংস আমরা সবাই খেয়ে চলেছি, আজও। তবে আমরা হিন্দুরা উপরোক্ত নির্দ্দেশের গোমাংস শব্দের গৌণ 'দৃশ্য-গোমাংস' অর্থটি কিন্তু ঠিকই বুঝেছি। তাই আমরা সাধারণ হিন্দুরা গোমাংস খাইনি (যাঁরা লুকিয়ে চুরিয়ে খান কিংবা বিদেশে গেলে খান, অথবা যাঁরা কলকাতার 'বিফ-ইটার্স এসোসিয়েশন'-এর সদস্যরূপে খান, তাঁদের কথা আমরা ধরছি না)। তার মানে এই নয় যে, আমরা অদৃশ্য মাংস-মৎস্য খাইনি তা নয়। কী খাই না খাই, সেই সব কথা আমরা মৎস্য থেকে মৎস্যগন্ধ পর্য্যন্ত শব্দগুলিতে বিস্তারিত ভাবে বলেছি। অনাবাসী এই ভারতীয় শব্দের ভাই-বেরাদররা হলেন - (Slavonic) - meso, (Prussian) - mensa, (Lithuanian) - misa।

গোমাংস

গোমাংস = গো-এর [ যাহা চলিয়া যায় সেই পণ্য-এর ] মাংস (মূল্যগ্রহণ) যাহাতে। [ পণ্য ও উৎপন্নে যে পার্থক্য, তাহা স্মর্তব্য ]। পণ্যমূল্য; (সাদৃশ্যে) গরুর মাংস।

গো-মাংসভক্ষণ

গো-মাংসভক্ষণ = গো-মাংস ভক্ষণ করা হয় যাহাতে; পণ্য উৎদন ও বিক্রয় করিয়া সম্পদ বৃদ্ধি করা বা মনের চর্ব্বি বাড়ানো [ অর্থাৎ মানসিক-গোমাংস ভক্ষণ করা ] হয় যাহাতে; (সাদৃশ্যে) গরুর হাড়মাস খাইয়া দেহের চর্ব্বি বৃদ্ধি করা [ অর্থাৎ বাহ্যিক-গোমাংসভক্ষণ করা ] হয় যাহাতে। [ লক্ষ্যণীয় যে, গুজরাটি ব্যবসায়ীরা বাহ্যিক গোমাংস স্পর্শ করে না, কিন্তু মানসিক গোমাংসভক্ষণে সারাদিন ডুবিয়া থাকেন; যখন কিনা ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ অধিবাসী, বাহ্যিক গোমাংসভক্ষণ করুন আর নাই করুন, মানসিক গোমাংসভক্ষণ করার প্রতি একপ্রকার গভীর বিরাগ পোষণ করিয়া থাকেন ]।

সৌজন্যে: বঙ্গযান

এই বিভাগের আরো খবর

শেষ হলো চট্টগ্রামের একুশে বইমেলা, ১৩ কোটি টাকার বিক্রি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামে অমর একুশে বইমেলার শেষ দিনটিও ছিলো লেখক-পাঠকের পদচারণায় মুখর। নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেশিয়াম...

সকলের কাছে পৌঁছায়নি গ্রন্থমেলার সময় বাড়ানোর খবর, তবুও ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: অমর একুশে গ্রন্থমেলায় সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারের সকালে পাঠক দর্শণার্থীদের উপস্থিতি ছিল কিছুটা কম। মেলার সময়...

বঙ্গবন্ধুর সহচর একেএম শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত 

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা...

ছুটির দিনে বইমেলায় ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক : অমর একুশে গ্রন্থমেলা শনিবার ছুটির দিনে পরিণত হয় পাঠক-লেখকদের মিলন মেলায়। সকালে শিশুপ্রহরে কচিকাঁচাদের পদচারণায় মুখরিত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is