ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-12-11

, ২ রবিউস সানি ১৪৪০

ঢাবি শিক্ষক সমিতি নির্বাচনে নীল দলের নিরঙ্কুশ জয়

প্রকাশিত: ০৭:৫৭ , ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৭:৫৭ , ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-ঢাবি শিক্ষক সমিতির ২০১৯ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে আবারও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে নীল দলের প্রার্থীরা। নীল দল থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক মাকসুদ কামাল। সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাব ভবনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বেলা দুইটা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলে।

নির্বাচনে ১৫টি পদের মধ্যে ১৪ পদেই জিতেছে আওয়ামী লীগ-সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল।  গত বছরও শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দল ১৪ পদে জিতেছিল। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতিবছরই শিক্ষক সমিতির নির্বাচন হয়। কার্যকরী পরিষদের ১৫টি পদে এ নির্বাচন হয়।

বেশ কয়েক বছর ধরেই শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে নীল দল বিজয়ী হচ্ছে। এবার শিক্ষক সমিতির সভাপতি পদে দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম পুননির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল টানা তৃতীয়বার এবং অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম টানা দ্বিতীয়বার একই পদে নির্বাচিত হলেন। বিএনপি-জামায়াত সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল থেকে একজন কার্যকরী সদস্যপদে নির্বাচিত হয়েছেন।

ভোট গণনা শেষে বিকেল চারটায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী। তিনি জানান, শিক্ষক সমিতির ১ হাজার ৯৮৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫৫১ জন এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ব্যালট বাতিল হয়েছে। ভোটদানের হার ৭৮ শতাংশ।

তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের অভিযোগ আসেনি। জানতে চাইলে সাদা দলের সভাপতি প্রার্থী অধ্যাপক আখতার হোসেন খান বলেছেন, নির্বাচন-প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেচক শিক্ষকদের এ রায় তাঁরা মাথা পেতে নিয়েছেন।

সভাপতি পদে অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ১ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা দলের সভাপতি প্রার্থী মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক আখতার হোসেন খান পেয়েছেন ৪৫৩ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম পেয়েছেন ৮০৫ ভোট। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাদা দলের প্রার্থী পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান পেয়েছেন ৬৮৯ ভোট।

এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-জামায়াত সমর্থক শিক্ষকদের নীল ও সাদা দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। বামপন্থী শিক্ষকদের গোলাপি দল গত বছরের মতো এবারও কোনো প্রার্থী দেয়নি। এই নির্বাচনে নীল দলের প্রার্থীরা সব পদ মিলিয়ে মোট ১২ হাজার ৭৩২ ভোট পেয়েছেন। ১৫টি পদে একটি করে মোট ১৫টি ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল প্রত্যেক ভোটারের। সেই হিসাবে নির্বাচনে ভোট প্রদান করা ১ হাজার ৫৫০ ভোটারের (১ জনের ব্যালট বাতিল) মোট ভোট দাঁড়ায় ২৩ হাজার ২৫০। শতাংশের হিসেবে নীল দলের প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট ৫৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এই বিভাগের আরো খবর

আ’লীগ বিদ্রোহীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে শেখ হাসিনার চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার দেশের বিভিন্ন আসনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রার্থিতা...

আশ্বাস মেলায় বিএনপি কার্যালয়ের তালা খুলে দিল মিলন সমর্থকেরা 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is