ঢাকা উত্তরের ৫ আসনে লড়াই নৌকা-ধানের শীষের

প্রকাশিত: ০৯:২৯, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮

আপডেট: ১২:২২, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর, পল্লবী, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী ও উত্তরা এলাকায় রয়েছে ৫টি সংসদীয় আসন। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা যেমন আছে, তেমনি অভিজাত শ্রেণীর মানুষের বাসও আছে এসব এলাকায়। এসব আসনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীর মধ্যে। গুলশান ক্যান্টনমেন্ট আসনে লড়াই হবে ভিআইপি প্রার্থীদের মধ্যে। মিরপুরে ধানের শীষে প্রার্থী হয়ে আলোচনায় আছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় এক নেতা।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বৃহত্তর মিরপুর নিয়ে ছিলো ঢাকা-১১ আসন। ২০০৮ সালে এই এলাকায় হয় তিনটি সংসদীয় আসন। ঢাকা-১৪, ১৫ ও ১৬। ঢাকা ১৮ আসনের মধ্যেও এর একটি অংশ রয়েছে। এই তিন আসনের ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ২০ হাজার। সংষদ নির্বাচনে ঢাকার বিভিন্ন আসনের ফল খুবই বৈচিত্রপূর্ণ। কোন দলের প্রার্থী পর পর নির্বাচিত হননি। যেমন মিরপুরে ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের ডক্টর কামাল হোসেনকে হারিয়ে জয়ী হন বিএনপির হারুন আর রশিদ মোল্লা। আবার ৯৬ সালে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদার। আর ২০০১ সালে জয়ী হন বিএনপির এস এ খালেক। তবে, ২০০৮ সালের পর নব গঠিত ঢাকা-১৪, ১৫ ও ১৬ তিনটি আসনে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছেন।

এক সময় মিরপুরকে রাজধানীর পিছিয়ে পড়া জনপদ হিসেবে দেখা হলেও এখন উন্নয়নের ফলে এই অঞ্চল রাজধানীর অন্যতম পরিকল্পিত নগরীতে পরিণত হয়েছে। তবে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ আর উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব এখনো রয়ে গেছে এই এলাকায়।

জনগণের চাওয়া পূরণ করে মিরপুরকে একটি মডেল শহর হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলছেন, প্রার্থীরা।

গুলশান, বনানী ও উত্তরার বিভিন্ন ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ ও ১৮ আসন। এই দুই আসনের ভোটার সংখ্যা প্রায় নয় লাখ। পাঁচটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার ঢাকা-১৮ আসনে। রাজধানীর সবচেয়ে বড় বস্তি কড়াইলও রয়েছে ঢাকা-১৭ আসনে। এই আসনে ২০০৮ সালে বিএনপি প্রার্থীকে পরাজিত করে হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ এবং ২০১৪ সালে বিএনএফের আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হন। আর ১৮ আসনে নবম সংসদ নির্বাচন থেকে বিজয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগের সাহারা খাতুন।

এ দুই আসনের ভোটারদের চাওয়া মাদক মুক্ত এলাকা। সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত এলাকা গঠন করে নাগরীকদের উন্নত জীবন দেয়ার কথা বল্লেন, এই দুই আসনের প্রার্থীরা।

এই পাঁচ আসনে বিভিন্ন দলের ত্রিশজনের বেশি প্রার্থী থাকলেও মাঠের প্রচারণায় কেবল বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জোটের প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা চোখে পড়ে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদের সংরক্ষিত...

বিস্তারিত
গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয়...

বিস্তারিত
এমন নির্বাচন ইতিহাসে আর হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ...

বিস্তারিত
নতুন ৫২ সংসদ সদস্যের মধ্যে ৪৬ আওয়ামী লীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদে...

বিস্তারিত
ব্যয়ের হিসাব: প্রার্থীর ৩০, দলের ৯০ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সদ্য সমাপ্ত- ৩০...

বিস্তারিত
শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেবল দেশের ভেতর...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *