ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯, ৫ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-19

, ১২ রজব ১৪৪০

শীতকালে নাক বন্ধ হলে করণীয়

প্রকাশিত: ০১:২৪ , ১২ জানুয়ারী ২০১৯ আপডেট: ০১:২৪ , ১২ জানুয়ারী ২০১৯

ডেস্ক প্রতিবেদন : নাক বন্ধ থাকা একটি প্রচলিত সমস্যা। শীতের সময় এমন সমস্যা হরহামেশাই হয়ে থাকে পারে। শুষ্ক আবহাওয়ায় ধুলাবালুর কারণে অ্যালার্জি হলে নাক বন্ধ হওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। ভাইরাসজনিত কারণে এ সময়ে নাক বন্ধ হতে পারে। নাক বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ঘ্রাণ নিতে অসুবিধা হওয়া, মাথাব্যথা, হালকা সর্দি, জ্বর বা কাশিও থাকতে পারে। এ ছাড়া কথা বলার সময় অসুবিধা হতে পারে।

জাতীয় নাক কান গলা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ও অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান বলেন, দেখা যায় সাধারণত ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যায়। নাকের ভেতরে কিছু টিস্যু রয়েছে। সেগুলো কখনো ছোট হয়ে যায়, কখনো আবার বড় হয়। এটি নাকের বাতাস চলাচলের রাস্তাকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া নাকের মাঝখানের যে ভাগটি রয়েছে, সেটিও মাঝেমধ্যে সমস্যা করে। অনেক সময় দেখা যায়, সর্দি হয়ে নাক বন্ধ হয়ে গেল, মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলছে।

কী করবেন: 
গরম পানিতে মেনথলের দুই-তিনটি দানা ছেড়ে দিয়ে সেই পানির ভাপ নিতে পারেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে পারেন। 

অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। তবে নাকের ড্রপগুলো দীর্ঘদিন বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, একটানা দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে একসময় সেটির কারণেই আবার নাক বন্ধ হয়ে হতে পারে। 

ভাইরাস বা অ্যালার্জির কারণে নাক বন্ধ হলে দুপাশের নাকই বন্ধ হয়ে থাকে। যদি কারও শুধু এক পাশের নাক বন্ধ হয়, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ নাকের কোনো টিউমার, নাকে ছত্রাক সংক্রমণ বা অন্য কোনো কারণে এক পাশের নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

শিশুর নাক বন্ধ: 

নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘুমাতে পারে না, বিরক্ত হয় ও কাঁদে। আধা কাপ হালকা কুসুম গরম পানিতে চার ভাগের এক চামচ লবণ মিশিয়ে স্যালাইন ড্রপ তৈরি করুন। শিশুকে চিত করে শুইয়ে কাঁধের নিচে একটা তোয়ালে গোল করে মাথাটা খানেক উঁচু করে দিন। এবার ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ড পর পর দুই বা তিন ফোঁটা করে নাকে এই ড্রপ দিয়ে দিন। একটু পর কাত করে নাকের সর্দি বের হতে দিন এবং টিস্যু বা পাতলা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে দিন। কখনোই নাকের ভেতর টিস্যু বা কটন বাড ঢোকাবেন না।

প্রতিরোধ: 
ভাইরাসজনিত সর্দি-জ্বরে অসুস্থ ব্যক্তি হাঁচি-কাশির সময় নাকেমুখে রুমাল বা টিস্যু পেপার চেপে ধরলে অন্যদের মধ্যে জীবাণু ছড়াবে না। বাইরে থেকে ফিরে প্রত্যেকেরই হাত ধোয়া উচিত। কারণ, হাতের মাধ্যমেও জীবাণু ছড়াতে পারে। বাসায় ধুলাময়লা জমতে দেওয়া চলবে না। এতে অন্তত ঘরের মধ্যে ধুলাবালুর কারণে অ্যালার্জির সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে।
 

এই বিভাগের আরো খবর

সম্পর্ক দৃঢ় করতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক: সম্পর্ক তৈরি করার চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আর এর জন্য দু’জনের মধ্যে সুস্থ্য সম্পক গড়তে হবে। সঙ্গীকে  দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক...

দুধে রসুন মিশিয়ে খেলে যা হয়

ডেস্ক প্রতিবেদন : উপকারিতা: রসুন-দুধ ঘুম বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে আনে। রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে, রক্ত...

কুমড়ায় বাড়ে দৃষ্টিশক্তি

ডেস্ক প্রতিবেদন : মিষ্টি কুমড়া অনেকেরই পছন্দের একটি সবজি।শুধু স্বাদেই নয়, গুণেই এটি অনন্য একটি খাবার। মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is