ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-22

, ১৬ শাবান ১৪৪০

চাঁদে জন্মাল গাছ, উঁকি দিল ‘জীবন’

প্রকাশিত: ০৩:৫২ , ১৭ জানুয়ারী ২০১৯ আপডেট: ০৩:৫২ , ১৭ জানুয়ারী ২০১৯

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: চাঁদের মাটিতে জন্মাল চারা, এর মাধ্যমে চাদের বুকে প্রথম উঁকি দিল জীবন। চীনের চাং’ই-চার মহাকাশযানে করে চাঁদে নিয়ে যাওয়া তুলা বীজের অঙ্কুরোদগম হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএনএসএ)। গতকার মঙ্গলবার এ ঘোষণা দিয়ে চীনের গবেষকরা চন্দ্রযান থেকে এর ছবিও প্রকাশ করেছেন। এতে দেখা গেছে, যানটির এক কোণে একটি পাত্রে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে ছোট্ট এ চারাগাছ।

চিনের পাঠানো মহাকাশযানের বয়ে নিয়ে যাওয়া তুলো বীজ থেকে চারা জন্মানোর এই ঘটনা মহাকাশ গবেষণায় নিঃসন্দেহে এক অতি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে। ওই মহাকাশযানের ভিতরে পাত্রে রাখা বীজ থেকে চারা জন্মানোর ঘটনায় মহাকাশবিজ্ঞানীরা উত্তেজিত।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) এর আগে বিজ্ঞানীরা লেটুস উৎপাদনসহ ফুলও ফুটিয়েছেন। কিন্তু চাঁদে গাছ জন্মানোর এমন ঘটনা এটিই প্রথম। এতে চাঁদে উদ্ভিদ জন্মানোর মতো পরিবেশ আছে বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। আর তাই বিষয়টিকে দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবেই দেখছেন বিজ্ঞানীরা।

স্পেস.কম এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, গত ৩ জানুয়ারি চিনের পাঠানো মহাকাশযান পৃথিবী থেকে চাঁদের সবথেকে দূরের স্থানে অবতরণ করে। ওই যানেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তুলোর বীজ। যা থেকে এবার জন্ম নিল চারা। এর পরের লক্ষ্য ফুলের চারা। এছাড়াও ওই যানে সরষে, আলু বা মাছির ডিম এই সবও নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ক্রমে সেগুলি নিয়েও পরীক্ষা করা হবে।

আসলে চিনের এই চ্যাং-ই ৪ মিশনের অন্যতম উদ্দেশ্যই হলো, কম অভিকর্ষের স্থানে শস্যের বীজ বা অন্য প্রাণের স্পন্দন ফোটানো সম্ভব কি না তা পরীক্ষা করে দেখা। কেবল এইটুকুতেই থেমে থাকছে না চিন। সেদেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে, এই বছরের মধ্যেই আরও একটি চন্দ্রাভিযান চালাবে তারা। সেই মিশনের নাম চ্যাং-ই ৫। সেই মিশনের লক্ষ্য, চাঁদের নমুনা পৃথিবীতে নিয়ে যাওয়া। এর পর ২০২০-তে মঙ্গলে অভিযান করবে তারা, তাও জানানো হয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

মরণব্যাধি ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেক্স: মরণব্যাধি ক্যান্সারের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারের দাবি করলেন কিউবার একদল বিজ্ঞানী। তারা আরও দাবি করেন, এই যুগান্তকারী...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is