ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-18

, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪০

ভ্রমণপিপাসুদের নতুন গন্তব্য হতে পারে ফাতরার চর

প্রকাশিত: ০২:৪৯ , ২৯ জানুয়ারী ২০১৯ আপডেট: ০২:৪৯ , ২৯ জানুয়ারী ২০১৯

ডেস্ক প্রতিবেদন: সুন্দরবনের বর্ধিত অংশ ফাতারার বন বা ফাতরার চর কুয়াকাটার পশ্চিমে ৯,৯৭,৫০৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। দ্বিতীয় সুন্দরবন হিসেবে খ্যাত এই ফাতরার চরে রয়েছে গেওয়া, সুন্দরী, কেওড়া, ফাতরা, গরান, গোলপাতা, বাইন ইত্যাদি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের অসংখ্য উদ্ভিদ এবং বানর, শুকর প্রভৃতি জীবজন্তু ও পাখি।

এছাড়াও এই চরে সাপ ও গুই সাপের মতো বেশ কিছু সরীসৃপ রয়েছে। সুন্দরবনের মত ফাতরার চরও দিনে দুবার জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।

ফাতরার চরের খালে প্রবেশ করা মাত্রই দুপাশের ঘন সবুজ অরণ্য দেখে বিমোহিত হতে পারেন। চরের ভেতরে ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়ে শান-বাঁধানো একটি পুকুর ও বন বিভাগের রেস্টহাউস। এই পুকুরটিই চরের অস্থায়ী বাসিন্দাদের মিঠাপানির যোগানদাতা। সাধারণত বন বিভাগের বনরক্ষি ছাড়া ফাতরার চরে স্থায়ীভাবে মানুষ বসবাস করে না। চরের পূর্ব দিকে একটি ছোট সমুদ্র সৈকত রয়েছে, ভাটার সময় এই সৈকততে অনায়সে সমুদ্রস্নান সেরে ফেলতে পারবেন।

কখন যাবেন
নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য ফাতরার চরে ঘুরার অনুমতি পাওয়া যায়।

কিভাবে যাবেন
ফাতরার চর দেখতে হলে প্রথমে কুয়াকাটা আসতে হবে। কুয়াকাটা থেকে প্রতিদিন বেশকিছু ট্রলার জনপ্রতি ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা ভাড়ায় ফাতরার চরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। অথবা ট্রলার রিজার্ভ নিয়েও ২ ঘন্টায় ফাতরার বনে পৌঁছাতে পারবেন। নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। লঞ্চে ঢাকা সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী বা বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা। আর বাসে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা। তবে সবচেয়ে সহজ ও আরামের কথা বিবেচনা করলে কুয়াকাটা যেতে নদী পথই উত্তম। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে লঞ্চে করে পটুয়াখালীতে গিয়ে সেখান থেকে বাসে করে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। অথবা লঞ্চে সদরঘাট থেকে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন
ফাতরার চরে কোন আবাসন ব্যবস্থা নেই। তবে অনুমতি নিয়ে বন বিভাগের রেস্ট হাউসে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। তবে কুয়াকাটায় বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল আছে। মান ও শ্রেনী অনুযায়ী এসব হোটেলে ৪০০-৫,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন।

কোথায় খাবেন
ফাতরার চরে যাবার সময় সাথে হালকা খাবার নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে উত্তম কারণ এখানে একটি মাত্র দোকান আছে। আর এই দোকানে মোটা চালের ভাত আর মুরগীর মাংস ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায় না।

 

এই বিভাগের আরো খবর

শিমুলিয়ায় অপক্ষোয় প্রায় ৪শ’ গাড়ি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ বেড়েছে। আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এ নৌ-রুটে ১৭টি ফেরি...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is