ঢাকা, রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-24

, ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৪০

প্রযুক্তির উৎকর্ষতা কমিয়েছে বায়োস্কোপের আবেদন

প্রকাশিত: ০৯:১৫ , ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আপডেট: ১২:৩২ , ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রযুক্তির কল্যাণে বিনোদনের মাধ্যমগুলো যতো সহজ লভ্য হচ্ছে, ততোই কদর কমছে বায়োস্কোপের। কেউ কেউ শখের বসে কদাচিৎ বায়োস্কোপ দেখলেও তাতে সংসার চলে না বায়োস্কোপওয়ালাদের। তাই অনেকে এই পেশা ছেড়েছেন।

কয়েক যুগ আগেও গ্রামে-গঞ্জে, হাট-বাজারে, সহজেই চোখে পড়তো বায়োস্কোপওয়ালাদের। বায়োস্কোপ প্রদর্শনীর আয় দিয়ে সংসার চালাতেন। দেশ স্বাধীনের আগে ও পরে দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে বায়োস্কোপ প্রদর্শন করেছেন, পাষাণ পাগলা। আশিতিপর আমুদে এই মানুষটি একসময় নেচে গেয়ে মুগ্ধ করেছেন দর্শকদের। বায়োস্কোপ দেখানোর কাজ তিনি রপ্ত করেছিলেন অনেকটাই সখের বশে।

প্রযুক্তির কারনে পুরো বিশ্বই এখন মানুষের হাতের নাগালে। বিনোদনের ক্ষেত্র সহজলভ্য। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে বায়োস্কোপের জনপ্রিয়তা নেই।  

ব্যবসা ভালো না হওয়ায় এই পেশার সাথে জড়িতরা এখন বেছে নিচ্ছেন নতুন পেশা। কেউ কেউ এখনো পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে কালেভদ্রে বায়োস্কোপ চালালেও সংসার চালাতে অন্যকাজ করেন।

একসময়ের জনপ্রিয় বিনোদনের এই মাধ্যমটি নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র, গান আর কবিতাও। দেশ বরেন্য লেখকদের লেখনিতে বায়োস্কোপের কথা পাওয়া যায়। ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে শহুরে বড় আয়োজনে পুরনো পন্থায় শিশুদের আনন্দ দেয়ার চেষ্টায় ডাক পড়ে বায়োস্কোপওয়ালাদের। এই চাহিদা মেটাতে অনেকে প্রতিষ্ঠান খুলে বায়োস্কোপের বাণিজ্য শুরু করেছেন।

অনেকে যুগের সাথে তাল মেলাতে বায়োস্কোপ তৈরীতে এনেছেন নানা পরিবর্তন। কাঠ আর টিনের বদলে অনেকে এটি নির্মানে পিতল ব্যবহার করছেন। আবার অনেকে ডিজিটাল বায়োস্কোপ নির্মান করে এর সাথে বিভিন্ন ডিভাইস যুক্ত করেছেন। একটি সাধারণ বায়োস্কোপ নির্মানে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হলেও ডিজিটাল রুপ দিতে খরচ হয় প্রায় ৩ লাখ টাকা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কিছুতেই শৃঙ্খলা ফিরছে না সড়কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: শৃংখলা শব্দটি যেন একদম বেমানান দেশের পরিবহন খাতে। সড়কে নিয়মনীতি মানার ও প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই নেই কারও। পরিবহন মালিক,...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is