ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-18

, ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪০

চারুকলায় নানা সীমাদ্ধতা, রয়েছে আক্ষেপের জায়গা

প্রকাশিত: ০৯:৫০ , ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আপডেট: ০২:২৫ , ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুরনো ঢাকার জনসন রোডে ন্যাশনাল মেডিকেলের রুমে যাত্রা শুরু করা আজকের ঢাকা চারুকলা শিল্পচর্চার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল পাকিস্তানী শাসনামলে। ১৯৫২ সালে সেগুনবাগিচায় যায় এবং তার চার বছর পর শাহবাগে বর্তমান জায়গায় আসে। ৭০ বছরের এই যাত্রায় স্থান পরিবর্তনের সাথে নামও পাল্টেছে, বেড়েছে মর্যাদা, যুক্ত হয়েছে আরও অনেক শিল্পী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী।

চারুকলার যাত্রাটা শুরুতে ছিল ছিল খুবই নাজুক। ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের মাত্র একটি কক্ষ শিক্ষার্থীদের শিল্পচর্চার জন্য ছিল একবারেই অপ্রতুল। ক্ষুদ্র একটি আর্ট স্কুল ছিল মাত্র। জায়গার অভাব থেকেই ১৯৫২ সালে যায় সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে। নাম হয় ‘গভর্নমেন্ট ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টস’। চরম সীমাবদ্ধতায় থেকেও দারুণ শিল্পী তৈরি করেছেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, শফিউদ্দিন আহমেদ, কামরুল হাসানের মতো শিক্ষকরা। স্বপ্ন ছিল আরও বড় প্রাঙ্গনে আরও বেশি কাজ করার। শাহবাগে এসে স্বপ্ন পুরণ হলো। প্রখ্যাত স্থপতি মাজহারুল ইসলামের নকশায় ১৯৫৬ সালে আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর নিজস্ব ভবন পেল চারুকলা।

এক সময় স্কুল পাশ শিক্ষার্থীরা চারুকলায় ভর্তির সুযোগ পেত। ফলে সাধারণের কাছে মর্যাদা ছিল কম।  ১৯৬৩ সালে প্রথম শ্রেণির কলেজে উন্নিত হয়, নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়’

কলেজ হিসেবে স্বীকৃতির পর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও গুণগত মান বৃদ্ধি আশানুরুপ এগোয়নি বলে আজকের প্রতিথযশা শিক্ষক-শিল্পীর অভিমত।

প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত হয়, নতুন নাম হয় ‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’। তখন এখানের সনদপত্র ডিপ্লোমার মর্যাদা পায়। পরে সেই সনদের মর্যাদা বেড়ে হয় স্নাতক, ২০০৮ সালে পায় অনুষদের মর্যাদা। সমাজের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও আসতে শুরু করে এখানে, শিল্পী হবার স্বপ্ন নিয়ে।

শিল্পী হওয়ার পথটা দেশে কখনই মসৃন ছিল না, এখনো তাই। পড়াশোনা শেষে শিল্পচর্চা করে আর্থিক স্বচ্ছলতা নিয়ে টিকে থাকা আজও অসম্ভব। চারুকলা স্নাতক শিল্পীদের কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষার সুযোগ সৃষ্টি জরুরি। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে শিল্পচর্চার পরিবেশ সমৃদ্ধ সেরকম প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এই বিভাগের আরো খবর

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির পরই কৃষিবাণিজ্য সম্প্রসারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাহাড়ী এলাকা বিচিত্র কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিশাল ক্ষেত্র হলেও সেখানের ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কৃষি বাণিজ্যের ধারণা...

উচ্চ ফলনের তাগিদ ছিল না, কৃষি উন্নয়নে হয়নি গবেষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ সহস্রাধিক বর্গ কিলোমিটারের পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৮৬০ সাল পর্যন্ত পরিচিত ছিল কোরপস নামে। ১৩০ বছর আগে এখানকার লোকসংখ্যা...

চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক দশকে উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন হচ্ছে প্রতি বছর। দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে চাষের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is