সাগরতলের অভিযান ক্রমেই পেশায় পরিণত হচ্ছে

প্রকাশিত: ১০:০৭, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আপডেট: ১২:০১, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: অতল সাগরের তলে কী আছে? এমন প্রশ্ন সবাইকেই কৌতুহলী করে। দেশের পর্যটকদের পাহাড়ের চূড়া, বন-জঙ্গল, সাগর পাড় কিংবা সাগরের বুকে ঘুরবার সুযোগ হয়। কিন্তু সাগর তলের জগত দেখার কথা এখনও অনেকের ভাবনায় স্থান পায় না। অথচ দুঃসাহসিক এ অভিযানকে দেশে কেউ কেউ পেশা হিসেবে নিতে শুরু করেছেন।

সাগরের বিশালতা এবং সেখানে কী আছে, তা জানতে খ্রীষ্টপূর্ব ৬ শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রীসের লেখক ও আবিষ্কারক স্কাইল্যাক্স সর্বপ্রথম চষে বেড়িয়েছেন ইন্দু নদ, লোহিত সাগর হয়ে ভারত মহাসাগর। এরই ধারাবাহিকতায়, আরও পরে, খ্রীষ্টপূর্ব ১ শতাব্দীতে গ্রীসের প্যাসিডোনিয়াম, খ্রীষ্টাব্দ ৭ শতকে চীনের জুয়ানশ্যাঙ বা ৯ শতকে সুইডিশ গবেষক গার্ডার সাভাভার্সন থেকে ভাস্কো দ্যা গামা বা ক্রিস্টোফার কলোম্বাস পর্যন্ত সকলেই সাগরের উপরিভাগে ঘুরেছেন বার বার। পরবর্তিতে সাগর থেকে প্রাপ্ত সম্পদের উপযোগিতা অনুধাবন করতে পেরে মানুষ সমুদ্রনির্ভর হতে শুরু করে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম জানান, মানুষের চাহিদার ষাট ভাগই পূরন হচ্ছে সমুদ্র থেকে। কেননা মানুষ প্রতিনিয়তই উপলব্ধি করছে যে সমুদ্রের সম্পদ ব্যবহার উপযোগী।

১৯শ’ ষাটের দশকে সাগরের তলদেশের সৌন্দর্য্যরে হাতছানিতে ডুব সাতার বা ডাইভিংয়ের চল শুরু হয়। তবে প্রথম দিকে সেটা ডুবন্ত জাহাজ বা মানুষের জীবন উদ্ধারের কাজে ব্যবহৃত হতো। পরে ধীরে ধীরে শখের বসে ডাইভিংয়ের ব্যাপ্তি বাড়ে। যা জনপ্রিয় হয়েছে বিশ্বজুড়ে।

আন্ডারওয়াটার এক্সপ্লোরার ও ডাইভার এর প্রধান এস এম আতিকুর রহমান বলেন, প্রথমদিকে কেবল কোসগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা ডাইভ করত। তবে বর্তমানে এটি মানুষের সভে পরিনত হয়েছে।

নব্বইয়ের দশকে দেশে নগণ্য সংখ্যক ব্যক্তি সখের বসে নিজস্ব উদ্যোগে ডাইভিং করলেও ২০০০ সালে প্রথম প্রতিষ্ঠান হয়। বর্তমানে দেশে হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সাগর তলে যেতে ইচ্ছুক পর্যটকদের যাবার আয়োজন করে। যারা যায় এমন দুঃসাহসিক অভিযানে, তাদের কেউ কেউ সমুদ্র অর্থনীতি ও সমুদ্রতলের জগত নিয়ে গবেষণায়ও সহায়তা করে।  

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *