দেশের সমুদ্রসীমা থেকে আহরণ হচ্ছে মাত্র ০.৫ শতাংশ সম্পদ

প্রকাশিত: ১০:৩৯, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আপডেট: ১২:০২, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত সম্পদের প্রায় ৬০ ভাগ আসে সাগর থেকে। বিশ্বের সাগরগুলোর তলদেশে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার প্রজাতির প্রাণ বৈচিত্র্যের সন্ধান পেয়েছে মানুষ। যার মধ্যে রয়েছে তিমি, ডলফিনের মত নানান প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ। তেমনি রয়েছে জলজ উদ্ভিদ, শৈবালসহ বাহারি কোরাল বা দৃষ্টিনন্দন জীববৈচিত্র্য। আবার এই সাগরেই রয়েছে তেল-গ্যাসসহ ম্যাঙ্গানিজ- বেরিলিয়ামের মত মূল্যবান খনিজ সম্পদও। তবে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন ও উপকূল সংলগ্ন সমুদ্রসীমায় গবেষণা চালিয়ে পাওয়া গেছে মাত্র ৭১ প্রজাতির প্রাণ বৈচিত্র্য।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ওশানিক রিসার্চ ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক আশোক কুমার বিশ্বাস বলেন, সমুদ্রের তলদেশের এসব জীব-বৈচিত্র থেকে ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিকের মত জটিল রোগের ওষুধ পাওয়া যায়। এছাড়া টুনা ফিশ রপ্তানি করে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।

বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ দেশই এখন সমুদ্রের তলদেশ থেকে প্রাপ্ত এসব সম্পদ এবং সমুদ্রকেন্দ্রিক অর্থনীতির ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বে এই অর্থনীতির পরিমান প্রায় ৩১ ট্রিলিয়ন আমেরিকান ডলারের সমান। তবে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের তদারকি, গবেষণা ও পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাবে এই বাজারে পর্যাপ্ত অবদান রাখতে পারছে না বাংলাদেশ। দেশের সমুদ্রসীমা থেকে মাত্র ০.৫ শতাংশ সম্পদ আহরণ ও ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে।

সেইভ আওয়ার সি এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, দক্ষ জনবল এবং পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাবেই আমরা এ খাতকে কাজে লাাগাতে পারছি না।

২০১২ সালে মিয়ানমার এবং ২০১৪ সালে ভারতের সাথে সমুদ্র সীমারেখা নির্ধাণের লড়াইয়ে বিজয়ের পর বাংলাদেশের মাণচিত্রে যুক্ত হয় ১ লাখ ১৮ হাজার বর্গ কিলোমটিারের নতুন সমুদ্রাঞ্চল। প্রযুক্তির অভাবে এখনো সেই গভীর সমুদ্রাঞ্চলে পৌঁছানো সম্ভব না হলেও অনাবিস্কৃত অঞ্চলটি খনিজ ও প্রানীজ সম্পদের আধার হতে পারে বলে গবেষকদের আশাবাদ।

এই সমুদ্র কেন্দ্রিক অর্থনীতির যে সম্ভাবনা গবেষকরা দেখছেন, তার সফল বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ অর্থনীতিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও উন্নত দেশগুলোর কাধে কাধ মিলিয়ে হাটতে পারবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *