ঢাকা, রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-24

, ২২ জিলহজ্জ ১৪৪০

কিছুতেই শৃঙ্খলা ফিরছে না সড়কে

প্রকাশিত: ০৯:৪৬ , ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আপডেট: ০২:৩০ , ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: শৃংখলা শব্দটি যেন একদম বেমানান দেশের পরিবহন খাতে। সড়কে নিয়মনীতি মানার ও প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টাই নেই কারও। পরিবহন মালিক, শ্রমিক, যাত্রী কিংবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সবাই যে যার মতো করে চলে, নিজেরাই নিয়ম ভাঙে। স্বাভাবিক ভাবেই সড়কগুলো হয়ে থাকে অনিরাপদ। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই চলে মানুষ।

রাজধানীর বিজয়স্মরণীর একটি সিগন্যাল। খামারবাড়ি থেকে মহাখালীগামী বিকাশ পরিবহনের এই গাড়িটি নিয়ম মেনে বায়ের লেন ধরে যাবার কথা। দৃশ্যে অনিয়ম স্পষ্ট, ডানের লেনে এগিয়ে এসে বামে ঢোকার চেষ্টা। ফলাফল দুই লেনেই পেছনের গাড়ি আটকা পড়েছে। শুধু সাধারণ ও অশিক্ষিতরাই নয়, সরকারি, বেসরকারি, শিক্ষিত, বিত্তশালি এবং সমাজের ভীষণ প্রভাবশালীরাও একইভাবে এখানে, এবং এধরনের মোড়ে নিয়ম ভাঙে প্রতিযোগিতা দিয়ে।

যাত্রী ওঠানামায় স্বেচ্ছাচারিতা বহাল আছে, পেছনের সব যানবাহন আটকে  রাস্তার মাঝে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠায়, নামায়। যাত্রীরাও ঝুঁকি জেনেও অনিয়ম প্রিয়। পুলিশের সামনেই এসব চলে। কিন্তু তারা যেন দেখেনা।

রাস্তায় নির্ধারিত জায়গায় দাঁড়াতে দেখা পাওয়া যেন সুন্দরবনে বাঘ দেখার মতই বিরল ঘটনা। পুলিশের সামনেই জটলা পাকিয়ে সৃষ্টি করা হয় যানজট।

বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ বিআরটিএ’র কমিটির সিটিং সার্ভিসসহ ২৬টি বিষয়ের সুপারিশ হিমাগারে। সিটিং সার্ভিসের নামে অরাজকতার জয়জয়কার। গেটলক সার্ভিসের কথা বলে যারা তারাও পথে যাত্রী তোলে। যাত্রী পরিবহনে ভাড়ার তালিকা কেন ঝুলানো নেই এমন প্রশ্ন তোলাই যেন হস্যকর ব্যাপার। গণপরিবহণের ফিটনেস লাগেনা, যা খুশি চলছে।

নগরীর আয়তনের ২৫ শতাংশ সড়ক থাকার কথা, আছে ৮ শতাংশেরও কম। ফুটপাতগুলো যার ক্ষমতা আছে তার দখলে। লেন না মানার সংস্কৃতি ভিআইপি সড়কেও বহাল, লেগুনা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার খবরটা মিথ্যা প্রমাণ করছে এরা।

স্কুল-কলেজগুলোর সামনে যথেচ্ছ পার্কিং, যেমন খুশি তেমন ওঠানামা, যানজট মেনে নেয়া বাস্তবতাই আছে। অন্যদের দুর্ভোগ হবে কিনা কেউ ভাবে না।

যানজটে যেমন নাকাল, ফাঁকা রাস্তা যেন বিপদ। রাত গভীর হলে রাস্তা ফাঁকা হয়, বেপরোয়া হয় যানবাহন। উল্টোপথেও চলে।

সার্বিক বাস্তবতায়, অনিময়মই আজও দাপটের সাথে টিকে আছে সড়কে।

 

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির পরই কৃষিবাণিজ্য সম্প্রসারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাহাড়ী এলাকা বিচিত্র কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিশাল ক্ষেত্র হলেও সেখানের ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কৃষি বাণিজ্যের ধারণা...

উচ্চ ফলনের তাগিদ ছিল না, কৃষি উন্নয়নে হয়নি গবেষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ সহস্রাধিক বর্গ কিলোমিটারের পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৮৬০ সাল পর্যন্ত পরিচিত ছিল কোরপস নামে। ১৩০ বছর আগে এখানকার লোকসংখ্যা...

চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক দশকে উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন হচ্ছে প্রতি বছর। দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে চাষের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is