ঢাকা, রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-24

, ২২ জিলহজ্জ ১৪৪০

নেতাদের হাতে জিম্মি গণপরিবহনের যাত্রীসেবা

প্রকাশিত: ১০:০১ , ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আপডেট: ১২:২২ , ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : যে দল সরকারে সে দলের নেতাদের দখলে সড়ক ও পরিবহন। তারাই জিম্মি করে যাত্রীসেবাকে। প্রাপ্ত তথ্য বলছে, রাজধানীতে বেশিরভাগ বাস কোম্পানির মালিক মন্ত্রী-এমপি কিংবা ক্ষমতাসীন দলের নেতা। ফলে তাদের যা ইচ্ছা তাই সবার জন্য পালনীয়। সাধারণ মানুষ শুধু চোখ, মুখ বুজে মেনে নেবে।  

বিআরটিএ বলছে, ঢাকা ও আশপাশে ২৪৬টি রুটে প্রায় আট হাজার বাস ও মিনিবাস চলে। এই খাতে নৈরাজ্যের নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রভাব মূখ্য সমস্যা বলেন সবাই। কোন না কোন ভাবে ক্ষমতাসীন দল বা সরকারের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের বা তাদের পরিবারের সদস্যদের মালিকানায় বেশিরভাগ পরিবহন। তাদের আত্মীয় স্বজনদের নামেও চলে ব্যবসা। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতার সম্মিলিত ক্ষমতার কাছে জিম্মি গণপরিবহন ব্যবস্থা বলে জানান, নিরাপদ সড়ক চাই এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বিশেষজ্ঞ ইলিয়াস কাঞ্চন। 

রাজধানীতে যত বাস চলে সেগুলোর মালিকের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। অপরিকল্পিত এই খাতে অনেক অপ্রয়োজনীয় আয়োজন আছে, যা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে হয়। নির্দিষ্ট রুটে চলার অনুমতি মিললেও প্রতিদিন রাস্তায় নামার আগে ৩০০ থেকে ৫০০টাকা গেটপাস জমা দিতে হয় বাসপ্রতি। এসবই প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীনদের  নিয়ন্ত্রণে।

গেটপাসের টাকা ছাড়াও নগরীর বিভিন্ন জায়গায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা মেলে গাড়ি থামার প্রতিটি স্থানেই নির্দিষ্ট রুটের আলাদা আলাদা ব্যক্তি বাসপ্রতি টাকা তুলছেন। যার ভাগ নিচে থেকে ওপরে ওঠে নানা হাত ঘরে।  

গণপরিবহনের ড্রাইভারদের চুক্তিরর পরিবর্তে মাসিক বেতনে গাড়ি চালানের উদ্যোগ নেয়া হলেও বাস্তবায়ন নগণ্য। অনেক কোম্পানি ট্রিপ প্রতি আয়ের একটি অংশ কিংবা স্থির করা ২২০ থেকে ২৫০টাকা ড্রাইভারদেরকে দেয়। এর অর্ধেক দেয় হেল্পারদেরকে। ড্রাইভাররাই বলছেন, তাদের নির্দিষ্ট বেতন দিলে সড়কে বিশৃংখলা কমবে।

সড়কে শৃঙ্খলার চাইতে কত বেশি মুনাফা ও আয় করা যায় সেই প্রতিযোগিতায়ই আছে বাণিজ্যিক পরিবহণের শালিক শ্রমিকরা।

এই বিভাগের আরো খবর

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির পরই কৃষিবাণিজ্য সম্প্রসারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাহাড়ী এলাকা বিচিত্র কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিশাল ক্ষেত্র হলেও সেখানের ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কৃষি বাণিজ্যের ধারণা...

উচ্চ ফলনের তাগিদ ছিল না, কৃষি উন্নয়নে হয়নি গবেষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ সহস্রাধিক বর্গ কিলোমিটারের পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৮৬০ সাল পর্যন্ত পরিচিত ছিল কোরপস নামে। ১৩০ বছর আগে এখানকার লোকসংখ্যা...

চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক দশকে উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন হচ্ছে প্রতি বছর। দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে চাষের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is