ঢাকা, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০১৭, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯
শিরোনামঃ
ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানকে গুতেরেসের সমর্থন গত কদিনে বাংলাদেশে ঢুকেছে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা ১১ সাক্ষীকে জেরার জন্য খালেদার আবেদন হাই কোর্টে নিষ্পত্তি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কাজে নিরপেক্ষতা থাকতে হবে: সিইসি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১৪ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শিশু অপুষ্টিতে মারা যেতে পারে নিরাপদ সড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাই আইন মেনে চলুন টস জিতে ব্যাটিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা আবহাওয়ার উন্নতি: দেশের বিভিন্ন রুটে নৌ চলাচল স্বাভাবিক নির্বাচন নিয়ে সরকার নীল নকশা করছে: রিজভী ২৫টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার সাথে বৈঠকে বসেছে ইসি ফাইনালে আজ মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও মালয়েশিয়া স্পেনের কেন্দ্রীয় শাসন না মানার ঘোষণা কাতালান প্রেসিডেন্টের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখুন: জয় ইপিএল-এ জয় পেয়েছে চেলসি ও ম্যানসিটি বেড়িবাঁধ ভেঙে বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ব্যাহত ফেরি চলাচল টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন বন্দরের কার্যক্রমে স্থবিরতা মালয়েশিয়ায় ভূমিধসে তিন বাংলাদেশীসহ ৪ শ্রমিকের মৃত্যু কাতালোনিয়ার স্বায়ত্তশাসন বাতিল করে দিলো স্পেন

বিয়ে অনুষ্ঠান মানে বহুমুখী বাণিজ্যের সুযোগ

প্রকাশিত: ১০:৪৮ , ১২ মে ২০১৭ আপডেট: ১০:৪৮ , ১২ মে ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: এখন বিয়ের অনুষ্ঠান বহুমুখী বাণিজ্যের সুযোগ করে দিয়েছে। বিয়ের আয়োজনে নতুন নতুন চিন্তার যোগ-বাণিজ্যেও নতুন নতুন দ্বার উন্মোচন করে। বাণিজ্যের ব্যাপ্তি তৈরি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ।

৭০-৮০’র দশকে সামরিক-বেসামরিক ক্লাবগুলোতে বিত্তশালীদের বিয়ের অনুষ্ঠান হতো। ১৯৮২ সালে প্রথম বিয়ের জন্য বেসরকারি মালিকানায় ঢাকার ইস্কাটনে সোহাগ কমিউনিটি সেন্টার হয়। সেই থেকে কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের সংস্কৃতি এখন একটি প্রতিষ্ঠিত,  লাভজনক ব্যবসা।

৮০’র দশকেরই শেষ ভাগে চাইনিজ রেস্টুরেন্টেও বিয়ের আয়োজন শুরু হয়। সেটাও এখন প্রচলিত চর্চা, সামর্থ্য ভেদে রেস্টুরেন্ট বেছে নেয় বর-কনের পরিবার। বিয়ে ও বউভাতের যে ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের চর্চা ছিল তা কমে সংবর্ধনার নামে এখন হচ্ছে দুই পরিবারের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠান। খাবার ও সাজসজ্জার বিয়েকে ঘিরে সবচেয়ে বড় বাণিজ্য।

বিয়ের ব্যয় বহুল পোশাক বাণিজ্যে আমদানি নির্ভরতা বেশি। যাদের সামর্থ্য কম তারা কিনতে না পেরে ভাড়াও করেন।

বর কনের সাজ নিঃসন্দেহে অতি গুরুত্বের বিষয় বিয়েতে। তবে বিত্তশালী পরিবারে দুই পক্ষের স্বজনদের সাজ-সজ্জাও বড় ইস্যু হয় বিয়েতে, বউভাতে ও হলুদের অনুষ্ঠানে। তবে সামর্থ্য যাই হোক অন্তত কনের সাজটা বিউটি পার্লারে হওয়া চাই।

প্রবীন প্রজন্মের খুব কম ব্যক্তিদের কাছেই তাদের বিয়ের ছবি পাওয়া যায়। কেননা ক্যামেরার চল ছিল বিরল। ভিডিও ছিল কল্পনারও অতীত। এখন বিয়ের ছবি ও ভিডিও চিত্র ধারণের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। অনলাইনেও এই ব্যবসা উঠছে জমে।

সবার জীবনেই বিয়েটা মাইল ফলক ঘটনা। যেই স্মৃতি বহন করে আমৃত্যু। ফলে যতটা জাকজমক, উৎসব মুখর ও সৌন্দর্য মন্ডিত করা যায় সেদিকেই সবার ভাবনা। জীবনের এই সুখোস্মৃতিকে ধরে রাখতে নতুন নতুন উদ্ভাভাবনী চিন্তার প্রতিযোগিতা বরাবরই দেখা যায় বর-কনে, তাদের পরিবার ও ব্যবসায়ীদের মাঝে।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

ঢাকায় ফুলের সমারোহ, যেন রঙের উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্রীষ্মের তাপদাহে দগ্ধ, ইট-কংক্রিটের কঠিন রাজধানী ঢাকায় নবপ্রাণের সঞ্চার করেছে বর্ণিল সব ফুলের সমারোহ। লাল-নীল-হলুদ...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is