ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-21

, ১৬ রমজান ১৪৪০

ছাত্রদের টার্গেট করে হত্যা নির্যাতন চালায় পাকিস্তানীরা

প্রকাশিত: ০৯:৩৮ , ০৭ মার্চ ২০১৯ আপডেট: ১২:১১ , ০৭ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা অঞ্চল কেন্দ্রিক ছাত্র রাজনীতি ও আন্দোলন স্বাধীনতার কেন্দ্রীয় সংগ্রামকে সরাসরি শক্তিশালী করেছে। একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ছাত্ররা যেমন পাকিস্তানিদের বিপক্ষে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তেমনি সয়েছে অমানুষিক নির্যাতন। ত্যাগের যথাযথ ইতহাস লিপিবদ্ধ না থাকলেও স্মৃতিস্তম্ভ ও বদ্ধভূমিগুলো সাক্ষী হয়ে আছে।

সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়নি তখনও। ২৩দিন আগের ঘটনা। একাত্তরের দোসরা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের বটতলায় ছাত্র নেতারা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রস্তাবিত পতাকা উত্তোলন করে। পতাকার আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে।

পাকিস্তানিরা বাঙালীর ওপর যুদ্ধ চাপানোর শুরুতেই ছাত্রদের টার্গেট করে হত্যা নির্যাতন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের মাঠ একাত্তরের প্রথম বধ্যভূমি গুলোর একটি। এখানে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল ছাত্র-শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারিদের। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের ওপরও নির্মম আক্রমণ চলে বলে জানান সাবেক ছাত্রনেতা মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন।

ঢাকার অদূরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিষ্ণুপুরের শামসুজ্জামান ফকির আজ বয়সের ভাড়ে ন্যুজ্ব। তারুণ্যে গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। নিজে একাত্তরে প্রশিক্ষণ নেন ভারতে। তিনি যখন রণাঙ্গনে তখন পাকিস্তানের এ দেশিয় দোসর স্থানীয় রাজাকার আলবদরেরা হামলা, লুটপাট চালায় তার গ্রামের বাড়িতে।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধা শামসুজ্জামান ফকির বলেন, পাকিস্তানী হানদারদের তাণ্ডব যেমন চলে ময়মনসিংহ শহরজুড়ে, তেমনি ছাত্র-যুবকের প্রতিরোধও গড়ে ওঠে সমানতালে। শহরের সরকারি ডাক বাংলোকে নির্যাতন কেন্দ্র বানায় পাকিস্তানী সেনারা।

আর টাঙ্গাইল শহরে পুলিশ লাইনের পাশের একটি মাঠে পাশের সরকারি আবাসনগুলো ছিল মুক্তিযোদ্ধাদেরকে নির্যাতন করার কেন্দ্র। নির্যাতন শেষে পাকিস্তানী সেনারা মৃত বা মৃতপ্রায় মুক্তিকামী বাঙালী যোদ্ধাদের পাশের পানির ট্যাংকির ওপর থেকে ফেলে দিতো বলে জানান মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ছাত্রনেতা আনিসুর দুলাল।

তখন ছাত্র না হলেও টাঙ্গাইল অঞ্চলের বড় তরুণ সংগঠক কাদের সিদ্দিকী। তার নির্দেশনা এ অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধে বড় ভূমিকা রাখে, বঙ্গবীর খেতাব পান।

 

এই বিভাগের আরো খবর

বিষের বাজারেও ভেজাল আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বছরে বিষের যে চাহিদা, তা অর্থমূল্যে আড়াই হাজার কোটি টাকার। যার পুরোটাই আমদানি করতে হয় বিভিন্ন দেশে থেকে। অন্যদিকে...

দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ।...

ফল রপ্তানীতে সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ফল বাণিজ্য অভ্যন্তীণ বাজার কেন্দ্রিক। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কিছু দেশীয় ফল বিদেশে রপ্তানী হলেও পরিমাণ খুব কম। তাই...

চাহিদা-পুষ্টিগুণ বিবেচনায় ফল চাষ পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌসুমী ফলের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বিবেচনায় চাষ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন হচ্ছে। অপ্রচলিত এবং বিলুপ্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is