ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-21

, ১৬ রমজান ১৪৪০

ছাত্র রাজনীতিতে নতুন প্রাণ আনছে ১১ই মার্চের ডাকসু নির্বাচন

প্রকাশিত: ১০:০০ , ০৭ মার্চ ২০১৯ আপডেট: ০৭:৩০ , ০৭ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: উচ্চ আদালতের ভূমিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরেছে ডাকসু নির্বাচন। ভোট আগামী ১১ই মার্চ। এই অগ্রগতি প্রাণ এনেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ছাত্র রাজনীতি নিয়ে যেন আবার সুন্দর স্বপ্ন দেখার দিন এসেছে।

প্রায় তিন দশক পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচনী আমেজ। তাই নিস্তরঙ্গ মধুর ক্যান্টিনে আবার প্রাণ চাঞ্চল্য। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের একক দাপুটে উপস্থিতির পাশে ৯ বছর পর ক্যাম্পাসে ছাত্রদল। আছে ইতিবাচক চিন্তা, আছে শংকাও।

১৯৭৩ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ অনুসারে ১০৪ জন সিনেট সদস্যের মধ্যে ৫জন থাকবে ছাত্র প্রতিনিধি। তারা শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখবেন। দীর্ঘ ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন হয়নি, ছাত্রদের দাবি তুলতে পারেনি কেউ। সেই বাস্তবতা পাল্টানোর আশা জেগেছে।

একসময় জাতীয় রাজনীতির নেতা তৈরির আতুরঘর বলা হতো ডাকসুসহ সব ছাত্র সংসদকে। যার বন্ধাত্ব কেটে এ অঞ্চলের মেডিকেল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ছাত্র সংসদ ফিরে আসার প্রত্যাশা করেন বিশ্লেষকরা।

সবশেষ ১৯৯৮ সালে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদÑবাকসু নির্বাচন হয়েছিল। এখানের টিএসসি ভবনে ছাত্র সংসদের নামফলক থাকলেও কক্ষগুলো বেদখল হয়েছে অনেক আগেই। তবে, ডাকসুর পুনরুজ্জীবনের খবরে নড়েচড়ে বসেছেন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও। এরইমধ্যে গঠিত হয়েছে কমিটি।

বৃটিশ আমলে স্থাপিত ময়মণসিংহ শহরের পুরনো আনন্দমোহন কলেজ। ২০০৪ সালের পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি, এখন আবার দাবি উঠেছে।

ছাত্র রাজনীতি সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কলুষিত হলেও ছাত্র সংসদ চালু করতে পারলে হারানো গৌরব ফেরানো সম্ভব বলে ধারণা সাবেক ছাত্র নেতাদের।

এজন্য শুধু বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ প্রশাসন নয়; রাজনৈতিক দলগুলোরও সদিচ্ছার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সবাই।

সোনার বাংলা গড়তে চাই যোগ্য সুনেত্রীত্ব। এর কোন বিকল্প নেই। আর ভালো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরির কারখানা হতে পারে সুস্থ্য ছাত্র রাজনীতির চর্চা। এটা যেন আবার ফিরে আসে এটাই সচেতন সব শিক্ষার্থী চাইছেন মনে প্রাণে ।

 

এই বিভাগের আরো খবর

বিষের বাজারেও ভেজাল আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বছরে বিষের যে চাহিদা, তা অর্থমূল্যে আড়াই হাজার কোটি টাকার। যার পুরোটাই আমদানি করতে হয় বিভিন্ন দেশে থেকে। অন্যদিকে...

দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ।...

ফল রপ্তানীতে সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ফল বাণিজ্য অভ্যন্তীণ বাজার কেন্দ্রিক। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কিছু দেশীয় ফল বিদেশে রপ্তানী হলেও পরিমাণ খুব কম। তাই...

চাহিদা-পুষ্টিগুণ বিবেচনায় ফল চাষ পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌসুমী ফলের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বিবেচনায় চাষ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন হচ্ছে। অপ্রচলিত এবং বিলুপ্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is