ঢাকা, সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-26

, ২১ রমজান ১৪৪০

শুকিয়ে গেছে ফরিদপুরের নদী, নৌ চলাচল ও মাছের উৎপাদন ব্যহত

প্রকাশিত: ১০:২৫ , ২২ এপ্রিল ২০১৯ আপডেট: ১০:২৯ , ২২ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফরিদপুর জেলার নদ-নদীগুলো গত একযুগে শুকিয়ে গেছে অনেকটাই। দেখা দিয়েছে তীব্র নাব্যতা সংকট। চর জেগে ওঠায় নৌ-যান চলাচল ও মাছের উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। নদীর পানি প্রবাহ কমে আসায় বিপদে পড়েছেন কৃষিজীবীরাও।  তবে, জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানালেন, নাব্যতা ফিরিয়ে এনে নদনদীগুলোকে বাঁচাতে শুরু হয়েছে খননের কাজ।

পদ্মা, মধুমতি, গড়াই, আড়িয়াল খাঁ, চন্দনা, কুমার- এমন অনেক নদনদীই বয়ে গেছে ফরিদপুর দিয়ে। তবে দিন দিন কমে আসছে এসব নদনদীর পানি। বর্ষায় পানির প্রবাহ থাকলেও শুকনো মৌসুমে এসব নদী প্রায় পানি শূন্য হয়ে পড়ে। নদীমাতৃক এ জেলার সাধারণ মানুষের সখ্যতা ও তীরবর্তী অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনযাপন এসব নদনদীকে ঘিরে। সেগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় তাদের জীবনযাপনেও দেখা দিচ্ছে নানা সংকট।  বিশেষ করে মৎস ও কৃষিজীবীরা সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন বেশী।  

স্থানীয় জেলে ও মৎস্যজীবীরা বলছেন, প্রতি বছর বন্যা ও ভাঙনে প্রচুর পলি ও বালি জমে এ অঞ্চলের ছোট-বড় সবগুলো নদ-নদীই ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে আগের মতো মাছ না পেয়ে কষ্টে দিন কাটছে তাদের।

নদী পানিশুন্য হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে কৃষিজীবীদেরও। তবে আশার কথা শোনালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ জানালেন, নদী বাঁচাতে সরকার ডেল্টা প্ল্যানের উদ্যোগ নিয়েছে। যার আওতায় শুরু হয়েছে নদী খননের কাজ।

খননের মধ্য দিয়ে নদ-নদীগুলো প্রাণ ফিরে পেলে, বাঁচবে ফরিদপুরের নদী নির্ভর পেশাজীবীরা। চাঙ্গা হবে অর্থনীতিও।  

 

এই বিভাগের আরো খবর

ফণির ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের বিভিন্নস্থানে ঘূর্ণিঝড় ফণির ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে কাজ করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, কৃষি বিভাগসহ সরকারের...

সকালে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফণি

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ফণি দুর্বল হয়ে সকাল নাগাদ বাংলাদেশ আঘাত হানবে। বর্তমানে সাতক্ষীরা থেকে প্রায় ৩শ’ কিলোমিটার দূরে...

ঘূর্ণিঝড়ে কোন সংকেতের অর্থ কী?

ডেস্ক প্রতিবেদন: ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ শক্তি সঞ্চয় করে বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসতে থাকায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে সাত নম্বর এবং...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is