ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-20

, ২০ মহররম ১৪৪১

সকালে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফণি

প্রকাশিত: ০৭:৩৮ , ০৩ মে ২০১৯ আপডেট: ০৮:২৮ , ০৪ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ফণি দুর্বল হয়ে সকাল নাগাদ বাংলাদেশ আঘাত হানবে। বর্তমানে সাতক্ষীরা থেকে প্রায় ৩শ’ কিলোমিটার দূরে থাকা ফণি এগিয়ে আসছে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটরা গতিবেগে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড়টি। এ কারণে অনেকটাই দুর্বল হয়ে বাংলাদেশে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়টি।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ফণির অগ্রবর্তী অংশ এরইমধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এতে আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাজধানী ও উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে। সাগর উত্তাল, বাড়ছে জোয়ারের পানি। বাঁধ ভেঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোন কোন জায়গায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। দক্ষিণের চরাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে।

অন্যদিকে, দুর্যোগ মোকাবেলার বহুমুখি প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে দেশজুড়ে। উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থানরত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার কাজ চলছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে উপকূলের মানুষকে। ১১৪টি মেডিকেল টিম এবং প্রায় ৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পুটয়াখালীতে সাগর উত্তাল রয়েছে। জেলার মির্জাগঞ্জে বাঁধ ভেঙ্গে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্ধ রয়েছে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। কুয়াকাটার সব হোটেল মোটেলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাগেরহাটে বাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

ফণি’র প্রভাবে চট্টগ্রামে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। ঝড় মোকাবেলায় সতর্ক চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। ২ হাজার ৭৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র, ২৮৪টি মেডিকেল টিম, রেড ক্রিসেন্টের ১০ হাজার ও সিপিপির ৬ হাজার ৬৬০ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে।

কক্সবাজারে ফণির প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে, বইছে ঝড়ো হাওয়া। খোলা হয়েছে ৫৩৮টি আশ্রয়কেন্দ্র।

সাতক্ষীরাতেও নেয়া হয়েছে সার্বিক প্রস্তুতি। ১৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজনকে নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রস্তুত রয়েছে ১১৬ টি মেডিকেল টিম।

বরিশালে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ১ হাজার ১০৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও ২৪ হাজার ৩৩০জন সেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সতর্ক করা হচ্ছে জনসাধারণকে।

চাঁদপুরে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ৩১১টি আশ্রয়কেন্দ্রসহ জেলার সবগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

এদিকে, ফণির প্রভাবে লালমনিরহাট, নাটোর ও জয়পুরহাটসহ উত্তরের কয়েক জেলায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। দিনাজপুর ও  রংপুরে ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
 

 

এই বিভাগের আরো খবর

সিলেটে পাহাড় কেটে আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে অবৈধভাবে পাহাড় কাটছে প্রভাবশালী মহল। পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ ও...

জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনের উপায় খোঁজার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনের উপায় উদ্ভাবনের জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দর প্রতি জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is