ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-20

, ২০ মহররম ১৪৪১

চাহিদা-পুষ্টিগুণ বিবেচনায় ফল চাষ পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন

প্রকাশিত: ১০:১৩ , ০৬ মে ২০১৯ আপডেট: ১২:৩৪ , ০৬ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌসুমী ফলের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বিবেচনায় চাষ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন হচ্ছে। অপ্রচলিত এবং বিলুপ্ত প্রায় ফলের চাষেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। মৌসুমী ফলগুলো যেন বছরজুড়ে পাওয়া যায় সে লক্ষ্যে চলছে গবেষণা। 

কয়েক দশক আগেও গ্রামে তো বটেই শহরেরও প্রায় প্রতি বাড়ির চারপাশের আঙ্গিনায় এক বা একাধিক মৌসুমী ফলের গাছ দেখা যেতো। জনসংখ্যা ও নগরায়নের চাপে সেই চর্চা বিলুপ্ত প্রায়।  অন্যদিকে ফল চাষে ভিন্নতা এসেছে। শহরে সৌখিন চাষ গেছে ছাদে, আর নির্ভরশীলতা হয়েছে ফলের   বানিজ্যিক চাষে।  

গত এক দশকের তুলনায় ফলের চাষ বর্তমানে কয়েকগুণ বেশি। বিশেষ করে আম, লিচু ও কাঁঠালের উৎপাদন বৃদ্ধি বেশি। এসব ফল এখন অর্থকরি ফসল হওয়ায় কৃষক বাণিজ্যিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চাষ করছে। 

বৈশ্বিক ফল উৎপাদন তালিকায় দেশের অবস্থান এখন ২৮তম। তবে জাতীয় ফল কাঁঠাল উৎপাদনের তালিকায় দেশের অবস্থান দ্বিতীয়। আমে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম।  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রায় সোয়া সাত লাখ হেক্টর জমিতে ১শ ২১ লাখ ম্রেট্রিক টন ফল উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমÑ২৩ লক্ষ মেট্রিকটন। তারপর কলাÑ ১৮ লাখ মেট্রিক টন। এমনি করে কাঁঠাল ১৭ লাখ, পেঁপে ৮ লাখ, নারিকেল ৬ লাখ, পেয়ারা ৫ লাখ, আনারস ৪ লাখ, লিচু ২ লাখ মেট্রিক টনের বেশি উৎপাদিত হয়েছে। তবু চাহিদার তুলনায়  ফলের উৎপাদন ঘাটতি ২২ লাখ মেট্রিক টন। যা পূরনের চিন্তা ও চেষ্টায় আছে বিশেষজ্ঞরা। 

আবহাওয়া এবং মাটির গুনাগুনের ওপর নির্ভর করে মৌসুম ও অঞ্চল ভেদে বৈচিত্রময় ফলের ফলন দেখা যায়। তবে সব ফল সব মৌসুমে পাবার চেষ্টায় চলছে গবেষণা। ফল উৎপাদনে দেশকে  স্বংয়সম্পূর্ণ করা কৃষি গবেষকদের স্বপ্ন।
 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is