ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-20

, ২০ মহররম ১৪৪১

ফল বাণিজ্যে বড় বাঁধা যথাযথ সংরক্ষণের অভাব

প্রকাশিত: ১০:২৩ , ০৬ মে ২০১৯ আপডেট: ১২:৩৩ , ০৬ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : যথাযথ সংরক্ষনের অভাব দেশীয় ফলের বাণিজ্যে বড় প্রতিবন্ধকতা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে  রাসায়নিকের ব্যবহারও ফল বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফলে রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলা হলেও বাজারের প্রতি আস্থা ফেরেনি পুরোপুরি। আস্থা ফেরাতে বাগান থেকে ভোক্তার ঘরে ফলল আসা পর্যন্ত সকলের সমন্বিত তদারকি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মৌসুমী ফলের প্রায় সবগুলোই দ্রুত পচনশীল। উৎপাদন বৃদ্ধির নানামুখী উদ্যোগ থাকলেও ফল সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা তৈরি হচ্ছে না। বিশেজ্ঞদের মতে যে কোন ফল রুরোপুরি পরিপক্ক হবার পর খাওয়া উচিত। পাকার পর যেহেতু বেশিদিন ফল স্থায়ী হয়না সে জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী তাড়াতাড়ি পাকানো এবং সংরক্ষণের জন্য মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে যা দেশীয় ফলের বাজারের আস্থা নষ্ট করেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। 

যদিও কৃষি গবেষকরা বলছেন ফল সংরক্ষনর বা পাকানোর জন্য রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। ফল সংগ্রহের ক্ষেত্রে সচেতনতা এবং প্রাকৃতিক উপায় গ্রহণে খুব সহজেই তা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ বা পাকানো যায়। এজন্য কৃৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ তাদের।

পাশাপাশি যে মৌসুমে ফলা বেশি হয় সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষন্য এবং অসময়েও ব্যবহারের জন্য বিকল্প প্রক্রিয়াজতের দিকে যাবার পরামর্শ আছে। এক্ষেত্রে সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোক্তাদের আগিয়ে আসার তাগিদ দিচ্ছেন কৃষি গবেষকরা। 

আশ জাতীয় হওয়ায় ফলের ক্ষেত্রে রাসায়নিকের উপস্থিতি খুব একটা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ফেলেনো বলে পুষ্টিবীদরা ভীত না হবার পরামর্শ দিচ্ছেন। তারা  যে কোন ফলের ভরা মৌসুমে সেগুলো খাওয়ার পরমর্শ দেন। ফল খাওয়ার অভ্যাস বাড়লে জাতীয় অর্থনীতিতে দেশীয় ফলের বাজারও বড় হবে। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is