নিয়ম না মেনে ব্যবহার করায় ক্যান্সারসহ নানা রোগে আক্রান্ত কৃষকরা

প্রকাশিত: ১১:১২, ০৭ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:২৭, ০৭ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিয়মের তোয়াক্কা না করে খাদ্যশস্যে বিষ ছিটানোয় ক্যান্সার, কিডনি, ফুসফুস জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন কৃষকরা। এছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম, চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া ও চোখ জ্বালা করাসহ দীর্ঘ মেয়াদি নানা রোগেও আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে ১০ ভাগ মানুষ কীটনাশকের বিষক্রিয়ার কারনে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। কৃষিবিদদের পরামর্শ বিষের ব্যাবহার বন্ধ করে প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পোকাকে ধ্বংসের পদ্ধতি বেছে নিতে হবে।

সেলিম মোল্লা। নিজের জমিতে ঝিঙ্গা চাষ করেছেন। ফসলকে পোকার হাত থেকে বাঁচাতে ও অধিক ফলনের আশায় ছিটাচ্ছেন বিষ। কিন্তু তার শরীরে নেই জামা, হাতে নেই গ্লাভস, বা নাকে-মুখে নেই কোন মাস্ক। প্রায় ১৫ বছর ধরে জমিতে এভাবেই বিষ ছিটিয়ে আসছেন।

অন্যান্য কৃষকরাও সেলিমের মত। অনেকে না জেনে অনেকে জেনে শুনেই এমন স্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিচ্ছেন। বিষ বিক্রেতারাও এ নিয়ে সচেতন না।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন-ডব্লিউএইচওর জরিপ অনুযায়ী, প্রতিবছর কীটনাশকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রায় ৩০ লাখ মানুষ ক্যান্সার, কিডনি, ফুসফুসসহ মারাত্মক সব রোগে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে প্রতি বছর মারা যায় ২ লাখ ২০ হাজার মানুষ। চিকিৎসকরা বলছেন, দেশে ১০-১৩ ভাগ মানুষ কীটনাশকের বিষক্রিয়ার কারনে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়।

কৃষিবিদরা বলছেন, বিষ প্রয়োগে ফসলের জন্য ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি উপকারি পোকাও ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। তাই উপকারী পোকাদের বাঁচিয়ে, কৃত্রিম ভাবে তাদের প্রজনন বাড়িয়ে এসব ক্ষতিকর পোকা ধ্বংস করা যেতে পারে।

তাদের মতে, বিষ প্রয়োগে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, এর ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। মানুষকে প্রাকৃতিক উপাদান ও উপায়ের ওপর  নির্ভরতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *