খনন না হওয়ায় অস্তিত্ব সংকটে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ

প্রকাশিত: ০১:৪৩, ১০ মে ২০১৯

আপডেট: ০৩:৪৮, ১০ মে ২০১৯

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৫৮ বছরেও খনন না হওয়ায় অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ। তলদেশে পলি জমে নাব্যতা কমে গেছে এশিয়ার বৃহত্তম এই কৃত্রিম হ্রদের। শুকনো মৌসুমে হ্রদের বুকে জেগে ওঠে অসংখ্য ডুবোচর। ফলে নৌ চলাচল ব্যহত হওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হতে হয় ছয় উপজেলার কয়েক লাখ বাসিন্দাকে। 
১৯৬০ সালে কর্ণফুলী নদীর প্রবাহে বাঁধ দেয়ার ফলে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে সৃষ্টি হয় সাতশ’ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এশিয়ার বৃহত্তম হ্রদ। উদ্দেশ্য ছিলো জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, মৎস্য চাষ ও নৌ যোগাযোগসহ মোট ৭টি সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো। 
কিন্তু পলি জমে তলদেশ ভরাট হওয়ায় কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা দিন দিন কমে আসছে। প্রতি বছর শুকনো মৌসুমে হ্রদের পানি কমে যায় অস্বাভাবিক হারে। জেগে উঠে অসংখ্য ডুবোচর। ফলে জেলার বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, নানিয়াচর ও বিলাইছড়ি উপজেলার মধ্যে নৌ যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হয়। 
এই দুরাবস্থা কাটাতে দীর্ঘদিন ধরেই হ্রদ খননের দাবি জানিয়ে আসছেন লঞ্চ মালিকরা। তবে গত ৫৮ বছরে একবারও এটি খনন করা হয়নি। 
তবে কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা ফেরাতে খননের জন্য নৌ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। শিগগিরই এব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া হবে। 
শুধু নৌ-চলাচল ব্যাহত হওয়াই নয়, কাপ্তাই হ্রদের নাব্যতা সংকটের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও। কর্মহীন হয়ে পড়ছেন একে ঘিরে জীবিকা নির্বাহ করা অনেক শ্রমজীবি মানুষ। 

এই বিভাগের আরো খবর

টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: দূষণের কারণে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *