প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ 

প্রকাশিত: ০৮:১৭, ১৭ মে ২০১৯

আপডেট: ১১:৩৬, ১৭ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনককে সপিরবারে হত্যার পর দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের এই দিনে মাতৃভূমিতে ফিরে আসেন তিনি। হাল ধরেন আওয়ামী লীগের। সেই থেকে দলকে সংগঠিত ও তিন মেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করে আসছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। 
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের øপ্নদ্রষ্টা বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করে দেশি বিদেশি কুচক্রী মহল। ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে স্বামীর কর্মস্থলে বেড়াতে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা। 
জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ দুই ব্যক্তি বেলজিয়াম হাইকমিশনে কর্মরত থাকলেও তারা তখন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার নুন্যতম নিরাপত্তা ও আশ্রয় দিতেও উদাসিনতা দেখায়। দেশের বাইরে থাকা তৎকালিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও সাহায্যের হাত বাড়াননি। জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন রাশীদ চৌধুরী ও তার পরিবার এই দুই এতিম সন্তানের পাশে দাঁড়ায়। সেই থেকেই প্রায় ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন কাটে তাদের। 
১৯৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্র“য়ারি দলের ১৩তম জাতীয় সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে দলের সভাপতি নির্বাচন করা হয়।
সেদিনের তরুণ নেতা, যারা আজ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্বে আছেন। তারা জানালেন, ১৭ মে বিকেল সাড়ে চারটায় শেখ হাসিনাকে নিয়ে ঢাকার মাটিতে ভারতীয় উড়োজাহার অবতরণের আগের ও পরের ঘটনাবলী। 
তাঁরা জানান, প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা দুহাত নেড়ে সেদিন লক্ষ জনতার ভালোবাসার জবাব দিয়েছিলেন চোখের জলে। অঙ্গীকার করেছিলেন বোন হিসেবে, মেয়ে হিসেবে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে মানুষের পাশে থাকার। সেই কথা রেখেই শেখ হাসিনা আজ বাংলার মানুষের হৃদয় জয় করেছেন বলেও জানান এই নেতারা। 
প্রতিজ্ঞায় অবিচল থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা নিরন্তর সংগ্রাম করে চলছেন বাংলাদেশকে ও দেশের মানুষকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার উচ্চ আসনে নিয়ে যেতে। 

এই বিভাগের আরো খবর

পীরগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সদস্য হলেন জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাপক উৎসাহ...

বিস্তারিত
আপিল বিভাগে আটকে গেল লতিফ সিদ্দিকীর জামিন

অনলাইন ডেস্ক: বগুড়ায় দুদকের করা এক...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *