জামিন নাকচ, ওসি মোয়াজ্জেম কারাগারে

প্রকাশিত: ১১:০৭, ১৭ জুন ২০১৯

আপডেট: ০৩:৪৩, ১৭ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই সাথে তার জামিন আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছেন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন।

এর আগে রোববার (১৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাইকোর্টের কদম ফোয়ারা এলাকা থেকে শাহবাগ থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানের জবানবন্দির ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা এক মামলার আসামি মোয়াজ্জেম হোসেন। বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

বেলা সোয়া ২টার পর আদালত কক্ষে নেওয়া হলে প্রথমে তাকে কাঠগড়ার বাইরে হেলান দিয়ে দাঁড়াতে দেখা যায়। থানা থেকে আনার পর কখনোই তার হাতে হাতকড়া দেখা যায়নি।

সেখানে উপস্থিত বেশ কয়েকজন আইনজীবী এবং আদালতের পেশকার এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এ আসামিকে কাঠগড়ার ভেতরে নেওয়া হয়।

মোয়াজ্জেমের পক্ষে আদালতে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী সালমা সুলতানা। আর জামিন আবেদনের শুনানি করেন মো. ফারুক আহাম্মাদ।

এ মামলার বাদী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনও এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। শুননির সময় ওসি মোয়াজ্জেমকে আশপাশে থাকা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।

শুনানি শেষে বিচারক মোজাম্মেলের জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই সঙ্গে অবিযোগ তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া প্রতিবেদনকে অভিযোগপত্র হিসেবে নিয়ে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ৩০ জুন দিন ঠিক করে দেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারায় দায়ের করা এ মামলায় দোষী প্রমাণিত হলে পুলিশ পরিদর্শক মোয়াজ্জেমের সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে গত ৬ এপ্রিল পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এর দিন দশেক আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান নুসরাত। থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সে সময় নুসরাতকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই গত ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা জারির দুদিন পর মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

এই বিভাগের আরো খবর

লক্ষ্মীপুরে অজ্ঞাত যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের...

বিস্তারিত
খুলনায় বন্দুকযুদ্ধে ৪ জলদস্যু নিহত

ডেস্ক প্রতিবেদক: সুন্দরবনে র‌্যাব-৬...

বিস্তারিত
দুই মামলায় সম্রাটের রিমান্ড শুনানি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : দুই মামলায় ঢাকা...

বিস্তারিত
আবরার হত্যায় আরো একজনের স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবরার হত্যা মামলায়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *