ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-18

, ১৮ মহররম ১৪৪১

চীনের ঐতিহ্যবাহী কুনকু থিয়েটার

প্রকাশিত: ০২:১২ , ২৮ জুন ২০১৯ আপডেট: ০২:১২ , ২৮ জুন ২০১৯

বিনোদন ডেস্ক: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের খ্যাতির উচ্চসীমানায় চীনের নাম উচ্চারিত হলেই মাথায় আসবে দেশটির মহাপ্রাচীর, খাবার, চিত্রকলা, মার্শাল আর্ট, সাম্প্রতিক অর্থনীতির বেশ সমৃদ্ধি ও উন্নত। তেমনি, সঙ্গীত, চিত্রকলা ও মার্শাল আর্টের মতো চীনের থিয়েটারও বেশ সমৃদ্ধ। চীনের এমনই এক মঞ্চশিল্প হচ্ছে কুনকু থিয়েটার।

কুনকু চীনের প্রাচীন থিয়েটার স্টাইলের মধ্যে অন্যতম। ব্যতিক্রমী ও বর্ণীল কস্টিউম, মঞ্চনাটক, দলীয় সঙ্গীত, নাচ, জমকালো বাদ্য, কবিতার মাধ্যমে গল্প উপস্থাপন, সংঘাতের দৃশ্যে মার্শাল আর্টের এ সব মিলিয়ে এই থিয়েটার যেকোনো সংস্কৃতিপ্রেমীর মন জয় করার জন্য যথেষ্টের চেয়েও বেশি।

চীনের ইতিহাস বলছে, ওয়েই লিয়ানফু নামক জ্ঞানী প্রশাসকের হাত ধরে এর যাত্রা শুরু ১৫৩০ সালে । তবে ১৫৬০ সালে বিখ্যাত চীনা নাট্যকার লিয়ান চেনয়ু তার একটি নাটকের জন্য থিয়েটার হিসেবে এর প্রথম ব্যবহার করার পর থেকে কুনকু জনপ্রিয় হতে থাকে। 

আঠারো শতকের মধ্যভাগ থেকে কুনকু থিয়েটার বেইজিং অপেরা হিসেবে পরিচিত হতে থাকে। সময়ের সাথে সাথে কিছুটা ছোট পরিসরে হয়ে আসে। উনিশ শতকের কিছু থিয়েটারপ্রেমীর কারণে এ থিয়েটার বিলুপ্ত হওয়া থেকে বেঁচে যায়। 

বিশ শতকের ষাটের দশকে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় চীনের ক্ষমতাসীন কম্যুনিস্ট সরকার একে সমাজতন্ত্রের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। পার্টিদের হাতে কলাকুশলীদের অনেকে নিহত হন। সত্তরের দশকের শেষের দিকে চীন সরকার কিছুটা উদার হলে আবার শুরু হয় কুনকু থিয়েটার।

চীনে বর্তমানে ছয়টি কুনকু থিয়েটার গ্রুপের মধ্যে নিউ ইর্য়ক থিয়েটার প্রসিদ্ব। কুনকু থিয়েটারে শৈল্পিক উপস্থাপনের জন্য অভিনেতাদের নাচ ও গানে বেশ দক্ষ হতে হয়। নাচ,গান ও বক্তব্য মিলেই কুনকু থিয়েটার। 

ইউনেস্কো ২০০১ সালে চীনের এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে মাস্টারপিস অব দ্য ওরাল অ্যান্ড ইন্ট্যানজিবল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি খেতাবে ভূষিত করে।


 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রামে শরৎ মেলা শেষ হচ্ছে আজ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: নারী উদ্যোক্তাদের আয়োজনে চট্টগ্রামে বসেছে শরৎ মেলা। শিল্পকলা একাডেমীতে আয়োজিত পাঁচদিন ব্যাপী এই মেলার দোকানগুলোতে...

জাতীয় কবির ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। সৃষ্টির জন্য যেটুকু সময় পেয়েছিলেন কবি, তাতেই পূর্ণ করে গেছেন বাংলা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is