চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন

প্রকাশিত: ০৯:১৬, ০৬ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ০২:৪৬, ০৬ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: এক দশকে উৎপাদন দ্বিগুণ হলেও চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সবজি উৎপাদন হচ্ছে প্রতি বছর। দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করে চাষের জমি বাড়ানো হলে সবজি অর্থকরী ফসল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা। যা দানাদার শষ্যের প্রতি চাপ কমাবে বলে গবেষকদের ধারণা।

ঢাকার শ্যামবাজারে কাঁচা সবজির এই আড়ৎ একসময় পুরো রাজধানী বাসীর চাহিদা মেটাতো। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে নৌ-পথে সবজি আসে এই আড়তে। সেই চিত্র পাল্টেছে। শ্যামবাজারের মতো কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়িসহ অনেকগুলো কাঁচা সবজির আড়ৎ হয়েছে রাজধানীতে। সড়ক পথে সবজি আসছে। নগরে বেড়েছে সবজির আমদানী ও বিক্রি।

চাহিদার তুলনায় ঘাটতি থাকায় সবজি নিয়ে নানা পরিকল্পনা এবং গবেষণার চেষ্টা চলছে। সবজি বিভাগ উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র এখন পর্যন্ত ৩৪ টি সবজির ১০৭ টি জাত অবমুক্ত করেছে। যার মধ্যে ৯২ টি উন্মুক্ত পরাগায়িত এবং ১৫ টি হাইব্রিড। এছাড়াও হাইব্রিড বীজ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান গবেষকরা।

সবজির বাণিজ্যে পরিবহন এবং সংরক্ষণ ব্যবস্থার দূর্বলতাকে বড় প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করে ব্যবসায়ী এবং গবেষকরা। সবজির চাষ বাড়লেও সংরক্ষণের জন্য তেমন হিমাগার হয়নি।  সবজি প্রক্রিয়াজাত করণেও অগ্রগতি হয়নি, তবে এ ব্যাপারে তাগিদ রয়েছে গবেষকদের।

নগরায়ণের চাপে সামপ্রতিক বছরে ছাদ কৃষি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে শহর এলাকায়। মূলত শখের চাষ আর নিশ্চিত নির্ভেজাল সবজি খাওয়ার আকাংখা। এক্ষেত্রে  ভালো সম্ভাবনা দেখছে খাত সংশ্লিষ্টরা।

দেশের অধিকাংশ মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভোগে এখনও।  অথচ পুষ্টিগুণ বিবেচনায় সবজির কোন বিকল্প নেই। তাই  সবজির উৎপাদন বাড়িয়ে খুব সহজেই পুষ্টির ঘাটতি পূরণ সম্ভব। শুধু দরকার যথাযথ উদ্যোগ আর বাস্তবায়নের তদারকিÑ বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *