পাহাড়ে জুমচাষে কৃষিবিপ্লবের ছোঁয়া লাগেনি

প্রকাশিত: ০৯:০৮, ০৭ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১২:০৬, ০৭ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাড়ে সাত কোটি থেকে বেড়ে ৪৮ বছরে দেশে মানুষ হয়েছে ১৬ কোটি। ছোট্ট দেশে এতো মানুষের খেয়ে-বেঁচে থাকার সবচে বড় সম্বল কৃষি। তাই ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সাথে পাল্ল¬া দিয়ে এগুতে হচ্ছে কৃষিকে; যেন প্রতিদিন বিপ্ল¬ব করার পরীক্ষা, যার বিপপ্লবীরা কৃষক। কৃষিতে চমক জাগানো নানা অগ্রগতির উল্টো পিঠে আছে দুঃখ-গাঁথা আর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা ও সংগ্রামের কথা।

রাঙামাটি, খাগরাছড়ি ও বান্দরবান নিয়ে দেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম। ইতিহাস বলে, ১৬ শতাব্দীতে বার্মারাজা বোদওপায়া’র অত্যাচারের মুখে চাকমা ও মারমা জাতি গোষ্ঠীর অনেকে পালিয়ে আসে এই পূর্বাঞ্চলে। এরআগে আসাম, মিজোরাম ও চীন থেকে যাযাবর জীবনধারার পাহাড়ী আরও কিছু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আসে এখানে। গোত্রভুক্ত হয়ে শিকার করা ছিল জীবন ধারণের উপায়। তার পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে বার্মা থেকে পালিয়ে আসা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর পদচারণার পর। জীবিকার আশ্রয় হতে থাকে কৃষি।

ঢালু পাহাড়ের চাষ, সমতল থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আগুনে পুড়িয়ে পাহাড়ের গায়ে আগাছা পরিস্কার করা হয়। কৃষি সরঞ্জাম বলতে দা ও খনতিমাত্র। ঢালু পাহাড়ে ছোট ছোট গর্তে এক যোগে ধান, তুলা, ভুট্টা, তিল, তিষি, আলু, মরিচ, কলা ও সবজীর বীজ বপন করে ফসল ফলনোর প্রথা প্রাচীন, যার নাম জুমচাষ। ঋতু ভেদে এসব পণ্য ঘরে তুলে আনে ক্ষুদ্র জাতিগুলো।

আদি প্রথার বিদ্যমান এই জুম চাষ কতটুকু পরিবেশ বান্ধব তা নিয়ে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে বিতর্ক উঠেছে।

দুর্গম পাহাড়ে নারীদের শ্রমে একই জমিতে এক সাথে কয়েকটি ফসল উৎপাদন পার্বত্যাঞ্চলের কৃষির ঐতিহ্য। সমতলের মতো কৃষি বিপ্ল¬বের ছোঁয়া এখানে লাগেনি এখনও।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *