উচ্চ ফলনের তাগিদ ছিল না, কৃষি উন্নয়নে হয়নি গবেষণা

প্রকাশিত: ০৯:২১, ০৭ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১২:০৫, ০৭ জুলাই ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৩ সহস্রাধিক বর্গ কিলোমিটারের পার্বত্য চট্টগ্রাম ১৮৬০ সাল পর্যন্ত পরিচিত ছিল কোরপস নামে। ১৩০ বছর আগে এখানকার লোকসংখ্যা সর্বসাকুল্যে ১ লাখের কম ছিল। কৃষি পণ্যের উৎপাদন ছিল চাহিদার অনেক বেশী। তাই আধুনিকায়ন বা উচ্চ ফলনের তাগিদ ছিল না, কৃষি উন্নয়নে হয়নি গবেষণা।


মোগল শাসনের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৭৮৯ সাল নগদ কর আদায়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে হস্তক্ষেপ করে। তখন থেকে পাহাড়ী জুম অর্থনীতির যাত্রা। জুমচাষ থেকে বৃটিশরা আশানুবূপ কর  পায়নি। কর বাড়াতে ১৮৫০ সালে ৩টি সার্কেল চালু করে পার্বত্য ভূমিতে। কিছু পাহাড়ী জাতীগোষ্ঠীকে কর আদায়ের কাজে যুক্ত করে। ম্রো, বোম, পাংখো এবং খুমীদের যুক্ত রাখে জুমচাষে।

১৮৭৫ সালে বৃটিশরা পাহাড়ী জাতি গোষ্ঠীদের ভূমির অধিকার দিয়ে যাযাবর জীবনের অবসান ঘটায়, স্থায়ীভাবে কৃষিনির্ভর জীবিকায় যুক্ত করে। এরপর থেকে পাহাড়ের কৃষিতে বহুমুখী পরিবর্তন আসতে শুরু করে। বৃটিশরা উচ্চ করের আশায় কাপড় বুনবার সুতা তৈরির জন্য পাহাড়ে তুলাচাষ উৎসাহিত করে।

পাহাড়ী কৃষি নিয়ে বড় কোন গবেষণা নেই। অগ্রসর পাহাড়ীরা সমতলে চাহিদা আছে এমন শাকসবজি, উচ্চ ফলনশীল কৃষিপণ্য চাষাবাদের প্রসার ঘটায় পাহাড়ে।

পাহাড়ের ঢাল একমাত্র কৃষি ভূমি, এমন সনাতন ধারণা সম্প্রসারিত হয়ে উপত্যকা ও পাহাড়ী সমতলে চাষ শুরু হয়। বাণিজ্যিক ভাবনাও দানা বাঁধছে।  

পাহাড়ে আনারস কাঠালের পাশাপশি হচ্ছে কমলা, আম, লিচু, আমলকি জলপাইসহ মৌসুমী অনেক ফল। রয়েছে ৮৩৮ প্রজাতির ভেষজ উদ্ভিদ। এখানে পাকা রং থেকে শুরু করে অনেক রোগের প্রতিষেধক তৈরির গাছও রয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে গবেষণা নেই।

পাহাড়ে কৃষিপণ্যের বৈচিত্র বাড়ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের ৯ লক্ষ ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে এই কৃষি বৈচিত্র বিস্তৃতির সুযোগ আছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *