ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-20

, ১৮ জিলহজ্জ ১৪৪০

হালদা দূষণ: হাটহাজারীর বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশিত: ০৫:৪২ , ১৭ জুলাই ২০১৯ আপডেট: ০৫:৪৪ , ১৭ জুলাই ২০১৯

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বর্জ্য তেল নিঃসরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদী দূষণের অভিযোগে হাটহাজারীর ১০০ মেগাওয়াট পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টকে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

পাশাপাশি ইটিপি নির্মাণ এবং অয়েল সেপারেটর কার্যকর না করা পর্যন্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ জুলাই) নদী দূষণের বিষয়ে শুনানি শেষে অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মোয়াজ্জম হোসাইন এ নির্দেশ দেন।

হাটহাজারী পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্টের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক শফিউদ্দিন আহমদ এবং নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ মো. এরফানুল কিবরিয়া শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।

অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মুক্তাদির হাসান গণমাধ্যমকে জানান, সরেজমিন পরিদর্শনে পাওয়ার প্ল্যান্টের অপরিশোধিত বর্জ্যে দ্বারা নদী দূষণের প্রমাণ মিলেছে। তিনি আরো বলেন, ‘নদী দূষণ ও ইটিপি কার্যকর না থাকায় হাটহাজারী পাওয়ার প্ল্যান্টকে শুনানি শেষে জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে ইটিপি নির্মাণ এবং অয়েল সেপারেটর কার্যকর না করা পর্যন্ত পাওয়ার প্ল্যান্টটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

গত ৯ জুলাই হাটহাজারীর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বর্জ্য তেল দ্বারা হালদা দূষণের প্রমাণ পাওয়ার পর ওইদিনই অধিপ্তরের পরিচালক আজাদুর রহমান মল্লিক কেন্দ্রটির কর্তৃপক্ষকে ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ে শুনানিতে হাজির হতে নোর্টিস দেন।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে হালদা নদী সংলগ্ন মরা ছড়া খালে বর্জ্য তেল ফেলার অভিযোগ পেয়ে ওইদিন সকালে ঘটনাস্থল হাটহাজারীর ১১ মাইল এলাকায় মরা ছড়া খাল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন।

২০১২ সালের মার্চের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এরপর ওই বছরই দুই দফা কেন্দ্রটিকে পরিবেশ দূষণের অভিযোগে নোটিস দেওয়া হলেও কোনো কাজ হয়নি।

ওইসময় দূষণের অভিযোগে প্ল্যান্টটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইটিপি নির্মাণের শর্তে জরিমানা মওকুফ করা হয়। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইটিপির নকশার অনুমোদন নেওয়া হলেও তা এখনও নির্মাণ করা হয়নি।

ইটিপি এবং অয়েল সেপারেটর না থাকায় পাওয়ার প্ল্যান্টটির বর্জ্য মরা খালের মাধ্যমে হালদা নদীতে মিশছে।

এই বিভাগের আরো খবর

সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

ডেস্ক প্রতিবেদন: উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের অধিকাংশ জায়গায়...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is