নদীর পানি বাড়ছে মধ্যাঞ্চলে 

প্রকাশিত: ১০:৫০, ২০ জুলাই ২০১৯

আপডেট: ১১:৩৭, ২০ জুলাই ২০১৯

বৈশাখী ডেস্ক: উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বাড়ছে মধ্যাঞ্চলে। গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কমেছে, তবে বেড়েছে করতোয়ার পানি। এখনো পানিবন্দি রয়েছে জেলার কয়েক লাখ মানুষ। শেরপুরে নতুন করে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানির তীব্র স্রোতে শহররক্ষা বাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছে। ফরিদপুরে পদ্মানদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

উত্তরাঞ্চলের কোন কোন জেলায় পানি কমতে শুরু করলেও প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। পানি বাড়ছে মধ্যাঞ্চলে। 

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কিছুটা কমেছে, তবে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ১৩২ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৭১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মানবেতর জীবন যাপন করছেন বানভাসীরা। এদিকে, নতুন করে পানি বেড়েছে করতোয়া নদীর। 

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বেড়ে যাওয়ায় শেরপুর অংশের বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের একাধিক স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে শেরপুর সদর, শ্রীবরদী ও নকলা উপজেলার আরো অন্তত ১০টি গ্রাম। ডুবে গেছে এসব এলাকার ৭০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শেরপুর সাথে জামালপুর ও উত্তরাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে ফসলি জমি। 

বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ১৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে পানিবন্দি রয়েছে জামালপুরের সদর, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ, মেলান্দহসহ ৭ টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকা। ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। সব মিলিয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ। বগুড়ায় যমুনার পানি কমছে। 

যুমনা নদীর টাঙ্গাইল পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দি রয়েছে জেলার শতাধিক গ্রামের মানুষ। এদিকে ভূঞাপুর-তারাকান্দি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামতে এখনো কাজ করছে সেনাবাহিনী ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। 

এদিকে, লালমনিরহাট ও নওগাঁয় নদীর পানি কমে যাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে আত্রাই নদীর পানি এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি বিপদসীমার ৯১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এখনো পানিবন্দি রয়েছে জেলার কয়েকটি এলাকা। এদিকে, তীব্র স্রোতে সিরাজগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধের তলদেশে ফাটল দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই জানিয়ে সচিব জানান, বাঁধ সংস্কারে কাজ করা হচ্ছে। 

এদিকে, ধীরে ধীরে পানির চাপ বাড়ছে মধ্যাঞ্চলের নদনদীগুলোয়। গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৬৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিতে ডুবে আছে ফরিদপুরের নিুঞ্চল ও চরাঞ্চল। 

কাপ্তাই জলবিদ্যুত কেন্দ্রের ১৬টি গেট খোলা থাকায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী ও পটিয়ার নিুাঞ্চল এখনো ডুবে রয়েছে। 


 

এই বিভাগের আরো খবর

বৈশাখী টেলিভিশনের অনুষ্ঠানসূচী, ৩১ অক্টোবর

আজ বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৯, ১৬...

বিস্তারিত
বৈশাখী টেলিভিশনের অনুষ্ঠানসূচী, ৩০ অক্টোবর

আজ বুধবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৯, ১৫ কার্তিক...

বিস্তারিত
নড়াইলে পান চাষে লাভবান কৃষকরা

নড়াইল প্রতিনিধি: অনুকূল আবহাওয়ায়...

বিস্তারিত
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: দূষণের কারণে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *