ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-20

, ১৮ জিলহজ্জ ১৪৪০

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু

প্রকাশিত: ১০:২০ , ০৬ আগস্ট ২০১৯ আপডেট: ০৮:৫৪ , ০৬ আগস্ট ২০১৯

কাজী বাপ্পা: বাংলাদেশের জন্য শোকাবহ মাস আগস্ট। স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করা হয়েছিল।

স্বাধীন বাঙালী জাতির জনককে স্মরণ মানেই যেন শুধু তাঁর দীর্ঘ ত্যাগী রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম, নেতৃত্ব আর দেশ গড়ার স্বপ্নের আলোচনা। সেসবের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য পাওয়া সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষেরা এবার বৈশাখী টেলিভিশনকে ব্যক্তি শেখ মুজিব নিয়েও তাদের স্মৃতির কথা বলেছেন।

ব্যক্তি ও রাজনীতিক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সাক্ষাৎকার ভিত্তিক ধারাবহিক আয়োজনে আজ গণমাধ্যমের ক’জন ব্যক্তিত্বের স্মৃতি কথা।

নিজের তারুণ্যে সাংবাদিকতাও করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। আর রাজনীতির কারণে দেশের গণমাধ্যমের খবরের মূল উৎস ছিলেন তিনি। তাই গণমাধ্যমের সাথে বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কটা ছিল অন্য মাত্রায়।

সিনিয়র সাংবাদিক কামাল লোহানী বলেন ১৯৬৫ সালে ইত্তেফাকের অফিসে গিয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে বৈঠক করতেন বঙ্গবন্ধু। এ সময় সম্পাদকদের নিয়ে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে কিভাবে শক্তি সঞ্চার করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হত। এছাড়া স্বাধীনতার পর ইত্তেফাকের উন্নয়নে কাজ করেছেন তিনি।

মুক্তচিন্তা, স্বাধীন গণমাধ্যম ও সমালোচনাকে স্বাগত জানানোর মানসিকতা দেখেছেন তাঁর সান্নিধ্য পাওয়া   গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা।

সিনিয়র সাংবাদকরা জানান, ‘তাদের বঙ্গবন্ধু বলতেন তোরা যদি সমালোচনাই না করতে পারিস তাহলে লিখিস কেন? বঙ্গবন্ধু বলতেন সমালোচনা করতে না পারলে ভাল খারাপ বুঝবো কিভাবে? তারা জানান বঙ্গবন্ধুর সময় কখনো বঙ্গভবন থেকে কল আসেনি যে এটা লিখা যাবে না।’

চারটি সংবাদপত্রকে ১৯৭৫ সালের শুরুর দিকে জাতীয়করণ করে বাকি সব জাতীয় পত্রিকা বন্ধ করে দেয়া  বঙ্গবন্ধু শাসনের একটি বড় সমালোচনার জায়গা হিসেবে দেখেন অনেকে। কিন্তু চাকরি হারানো সাংবাদিকদের জীবিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বঙ্গবন্ধুর দায়িত্বশীল মানবিক আচরণের স্মৃতি হয়ে আছে এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বিদের কাছে।  

এ বিষয়ে কামাল লোহানী জানান, বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নে ১০০/২০০ পাতাসম্বলিত মান্থলি/উইকলি পত্রিকা খোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু যেখানে কাজের সুযোগ ছিল চাকরি হারানো সাংবাদিকদের।   

তারা বলেন, কারও প্রতি তার বৈষম্যমূলক আচরণ ছিলনা, এমনকি ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শীদের জন্যও ছিল বঙ্গবন্ধুর সমান দৃষ্টিভঙ্গি।

সিনিয়র সাংবাদিকরা জানান, বাকশালে প্রায় আড়াইশ সাংবাদিক নাম লিখিয়েছিলো।

এই বিভাগের আরো খবর

স্বজনদের স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের জন্য শোকাবহ মাস আগস্ট। স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নেতা...

ব্যবসায়ীদের স্মৃতিতে বঙ্গবন্ধু

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের জন্য শোকাবহ মাস আগস্ট। স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তী নেতা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is