ঢাকা, সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-25

, ২৩ জিলহজ্জ ১৪৪০

জাতীয় শোক দিবস, অমোচনীয় কলংকের দিন

প্রকাশিত: ০২:৫৮ , ১৫ আগস্ট ২০১৯ আপডেট: ০৮:১১ , ১৫ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: যেই বেদনাবিধূর দিনটির জন্য বাংলাদেশ ও স্বাধীন বাঙালী জাতির কাছে আগস্ট শোকাবহ মাস, আজ সেই ১৫ই আগস্ট। ১৯৭৫ সালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে নিজ বাসভবনে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের ঘুমন্ত সদস্যদের ভোর রাতে হত্যা করেছিলো দেশের বিপথগামী সেনা সদস্যরা। বিদেশে থাকায় বেঁচে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। প্রতি বছর দিনটি ফিরে আসে এক অমোচনীয় কালিমার স্মৃতি নিয়ে। দিনটি জাতীয় শোকের।

১৯৭১ সালে সারা পৃথিবীর রাজনীতি সচেতন মানুষ কান পেতে ছিল বঙ্গবন্ধুর এই ৭ই মার্চের ভাষণের বার্তা জানতে। এ ভাষণ শুধু দেশের না পৃথিবীর বিরল ঐতিহাসিক রাজনৈতিক নিদর্শন হয়ে আছে। স্বাধীন বাঙালী জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান তার ৫৫ বছরের জীবনের সবটুকু সময়, সবটুকু ভালবাসা, এমনকি নিজের প্রাণটাও দিয়েছেন সুন্দর বাংলাদেশ ও তার মানুষের মঙ্গলের জন্য।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মানুষকে পিতার মতোই ভালোবাসা দিয়ে এগিয়ে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, দুর্ভাগ্য, স্বাধীন স্বদেশে যাদের তিনি সন্তানতুল্য করে বিশ্বাস করেছেন তাদেরই একদল বিপথগামী সেনাসদস্য দেশীয় এবং বিদেশী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে হত্যা করেছে জাতির জনককে।

বঙ্গবন্ধু, তাঁর স্ত্রী বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, দশ বছরের শিশু শেখ রাসেলসহ তিন পুত্র, দুই পুত্রবধূ, ভাই এবং আরো কয়েকজন দায়িত্বরত ব্যক্তি এই বর্বরতম হামলায় নিহত হন। এছাড়াও আরো কয়েকটি বাসায় হামলা করে ঘাতক সেনারা, হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়দের। সেসব হামলায়ও দশ বছরের আরেক শিশু- সুকান্ত প্রাণভিক্ষা পায়নি। বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে এগিয়ে আসা একমাত্র সেনা কর্মকর্তা কর্নেল জামিলকেও তার ঘাতক সেনা সহকর্মীরা পথিমধ্যে হত্যা করে। এমন নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের ইতিহাস বিশ্বে খুঁজে পাওয়া কঠিন।

বঙ্গবন্ধুর মতো মহাপ্রাণ নেতা বিশ্বেই বিরল। বঙ্গবন্ধুকে দিয়েই সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে চিনতো বিশ্ববাসী। জীবনের মাত্র ৫৫ বছরে বঙ্গবন্ধকে হত্যা করা কেবল জাতি ও দেশের জন্য চির কলংকের ইতিহাসই হয়ে রয়নিম এক স্থায়ী ক্ষত তৈরি করেছে রাজনীতিতে। যার মূল্য আজোও দিতে হচ্ছে।

ঘটনা চক্রে বেঁচে গিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুতে আওয়ামী লীগকে ধ্বংসের চেষ্ করেছির পরবর্তী সামরিক ও বেসামরিক আওামীলীগ বিরোধী সরকারগুলো। কিছু ত্যাগী নেতা ধরে রাখেন দলকে। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে পুনরুজ্জীবিত করেন আওয়ামী লীগকে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে পিতার খুনীদের বিচার নিশ্চিত করেছেন। যার বাস্তবায়ন এখনও শতভাগ হয়নি।

এই বিভাগের আরো খবর

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সাথে গোলাগুলি, ৩ সন্ত্রাসী নিহত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বড়াদমে টহলরত সেনা সদস্যদের সাথে গোলাগুলিতে তিন ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে। সোমবার (২৬ আগস্ট)...

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফিরোজ খাঁ’র মামলার রায় কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে রাজশাহীর আব্দুস সামাদ ওরফে ফিরোজ খাঁর মামলার রায় ঘোষণা করা হতে পারে আগামীকাল (মঙ্গলবার)।...

নুসরাত হত্যায় মাদ্রাসা কমিটির অবহেলা পায়নি তদন্ত কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগুনে পুড়িয়ে মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে হত্যার ঘটনায় ফেনীর সোনাগাজী মাদরাসা কমিটির তৎকালীন সভাপতি এনামুল...

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। এডিস মশার বিস্তার ও ডেঙ্গু  রোগ প্রতিরোধে অবহেলা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is