ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-19

, ১৯ মহররম ১৪৪১

বকেয়া না দিলে চামড়া বেচবেন না আড়তদাররা

প্রকাশিত: ০৪:৩১ , ১৭ আগস্ট ২০১৯ আপডেট: ০৫:৪৫ , ১৭ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বকেয়া টাকা পরিশোধ না করলে এবার ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়া বিক্রি করবেন না বলে জানিয়েছেন পুরান ঢাকার পোস্তার কাঁচা চামড়ার আড়তদাররা।

রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় শনিবার (১৭আগস্ট) আড়তদারদের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান কাঁচা চামড়া আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সভাপতি দেলোয়ার হোসেন।

এ সময় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. টিপু সুলতানসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ট্যানারি মালিকদের কাছে আড়তদারদের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ট্যানারি মালিকরা এই বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় এবারের কোরবানিতে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা যায়নি। এতে কোরবানির বিপুল চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে। এ টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত ট্যানারি মালিকদের কাছে চামড়া বিক্রি করব না। সভায় আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে জানিয়ে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগামীকাল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ট্যানারি মালিক, আড়তদার ও কাঁচা চামড়া সংশ্লিষ্টদের বৈঠক আছে। সেখানে আলোচনার পর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। আজকে চামড়া বিক্রি করার কথা থাকলেও আমরা এখন থেকে আর বিক্রি করব না।

ট্যানারি মালিকদের কারণে চামড়ার দাম কমেছে অভিযোগ করে আড়তদারদের এই নেতা বলেন, ট্যানারিগুলো বকেয়া টাকা না দেয়ায় এবার অর্থের অভাবে চামড়া কিনতে পারিনি। অন্যান্য বছর ঈদের আগেরদিন আড়তদারদের সঙ্গে আলোচনা করলেও এবার তারা কোনো কথা বলেনি। তারা যদি আমাদের আশ্বস্ত করত ন্যায্য দামে চামড়া কিনতে তাহলে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। কিন্তু এটি না করে উল্টো মিডিয়ার কাছে নানা কথা বলেছেন। এ কারণে আরও দর কমেছে। তাই ট্যানারি মালিকরাই এ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চামড়া কিনছি বিক্রির জন্যই। কিন্তু ট্যানারি মালিকরা আমাদের জিম্মি করে রেখেছে, আমরা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চাই। আমরা চাই ট্যানারি মালিকগুলো আমাদের বকেয়া টাকা পরিশোধ করুক।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে চামড়া নিয়ে যা ঘটছে, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল। এই ঘটনাটি একমাত্র ঘটেছে ট্যানারি মালিকদের কারণে। তারা যদি আড়তদারদের পাওনা টাকা পরিশোধ করতো, তাহলে আমরা খরিতদারদের টাকা দিতাম চামড়া কেনার জন্য। আর এটা করা গেলে চামড়া নিয়ে এত বড় ঘটনা ঘটতো না।

এই বিভাগের আরো খবর

ফকিরাপুলে ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো, র‌্যাবের অভিযানে আটক ১৪২

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর মতিঝিলের ফকিরাপুল এলাকার ‘ইয়াং ম্যান্স ক্লাব’ নামের একটি ক্যাসিনোতে (জুয়ার আসর)  অভিযান চালিয়ে ১৪২ জনকে...

শেখ হাসিনাকেও হত্যার ষড়যন্ত্রে স্বাধীনতা বিরোধিরা: আমু

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি জাতির জনককে হত্যার পর বারবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সফল হতে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is