ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-23

, ২৩ মহররম ১৪৪১

গ্রেনেড হামলায় আহতরা বেঁচে আছেন দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে

প্রকাশিত: ০৯:৩৬ , ২১ আগস্ট ২০১৯ আপডেট: ১২:২৪ , ২১ আগস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় সারাদেশ থেকে আসা অসংখ্য নেতাকর্মী হতাহত হয়েছিলেন। সেদিন যারা প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাদের অনেকের স্বজনেরাই জীবিকা নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন অনিশ্চয়তার। যা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। আর আহতরা বেঁচে আছেন সেদিনের দুঃসহ স্মৃতি আর শরীরে তার ভয়াবহ চিহ্ন নিয়ে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন দলের ২৪ নেতাকর্মী। সারাদেশ থেকে আসা নেতাকর্মীদের মধ্যে সেদিন প্রাণ হারান মাদারীপুরের চারজন। তারা হলেন কালকিনি উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তাক আহাম্মেদ সান্টু ও শ্রমিক লীগ নেতা নাসির উদ্দিন সরদার, রাজৈর উপজেলার যুবলীগ নেতা লিটন মুন্সী ও সুফিয়া বেগম। সেই হামলায় আহত হয়েছিলেন মাদারীপুরের বেশ কয়েকজন। 

সেই ঘটনার পর পেরিয়ে গেছে ১৫ বছর। হতাহতদের স্বজনেরা বলছেন, এখন আর তাদের খোঁজ রাখে না কেউই। মাঝে মাঝে কিছু আর্থিক সহায়তা পেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। তাই দিন কাটছে দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে। নিহতদের স্মৃতিবাহী কবরও নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে।  

২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মৃতি রক্ষায় উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি হতাহতদের পরিবারকে সহায়তায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন স্বজনেরা। 

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক জনালেন, হতাহতদের পরিবারগুলোকে সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। 

এদিকে, ২১শে আগষ্টের সেই হামলার ক্ষত আজো বয়ে বেড়াচ্ছেন কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার নাজিম উদ্দিন। পায়ে ও বুকে অসংখ্য ¯িপ্রন্টার আর ক্ষত চি‎হ্ন নিয়ে জীবনযাপন করছেন অসহ্য যন্ত্রণার মাঝে। সেই দুঃসহ স্মৃতি মনে পড়লে এখনো কেঁপে ওঠেন ভয়ে। 

নাজিম উদ্দিন জানান, সেই ঘটনায় আহত যারা এখনো বেঁচে আছেন, তাদের সুচিকিৎসার পাশাপাশি দ্রুত পুনর্বাসন করা প্রয়োজন। 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রামে যুবলীগ নেতা আটক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে যুবলীগ নেতা নুর মোস্তফা টিনুকে অস্ত্রসহ আটক করেছে র‌্যাব। টিনু সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is