অসাধুরাও সুযোগ নিচ্ছে পানির বাজারে

প্রকাশিত: ১০:০৭, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১২:৩৭, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মাবুদ আজমী: দারুণ লাভজনক ব্যবসা, তাই অসাধুরাও সুযোগ নিচ্ছে বাণিজ্যিক পানির বাজারে। বিএসটিআই বলছে, ১৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে জারের পানি বিক্রির অনুমতি দেয়া হলেও নামে বেনামে আরো বেশ কয়েকশ অবৈধ প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে রাজধানীতে। তারা বিশুদ্ধ পানির নামে কী খাওয়াচ্ছে কেউ জানে না তবে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।    

মিনারেল অর্থ খনিজ, সে সকল পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যাক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলো উত্তলোন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ পদার্থ বলে। আর যান্ত্রিকভাবে পরিশোধিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি ব্যবহারের উপযোগী করাই হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি। এই দুই ধরনের পানির নিশ্চয়তা দিয়ে বাজারে রয়েছে জার ও বোতালজাত কোম্পানীগুলো।
    
তবে এসব বোতলজাত ও জারে পানির প্রতিশ্র“ত মান নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। মিনারেল ওয়াটার বলে পানি বিক্রি হলেও দেশের বাজারে এমন কোন পানি নেই বলে জানালেন বিশেষজ্ঞরা।

অন্যদিকে অনুমোদন ছাড়াই ভেজাল ও নকল কারখানায় অবাধে তৈরি হচ্ছে তথাকথিত ‘বিশুদ্ধ’ পানি। এসব ভেজাল ও নিম্নমানের দূষিত বানিজ্যিক পানি সরবরাহ করা হচ্ছে অনেক হোটেল, দোকান, অফিস-আদালতে। এলাকা ভিত্তিক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এমন অনিরাপদ পানি বিক্রি করে বিপুল মুনাফা করছে কিছু ব্যক্তি। ভূগর্ভ থেকে পানি উত্তোলনের কথা থাকলেও সরাসরি ওয়াসার লাইন থেকে অনিরাপদ পানি জারে ভরে বাজারে বিক্রি করছে অসাধু প্রতিষ্ঠান।  

মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআই বলছে, ৭টি বোতলজাত কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করে উৎপাদন বন্ধ করেছে হাইকোর্ট। এমন মানহীন প্রতিষ্ঠান যেন আর গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য তৎপরতা আছে বলে দাবি করা হয়।

বিএসটিআইয়ের হিসেবে ১৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে জারের পানি বিক্রির অনুমতি দেয়া হলেও শুধু রাজধানীতে অবৈধ জারের পানি বিক্রির প্রতিষ্ঠান রয়েছে পাঁচ শতাধিক।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *